শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
জামালগঞ্জে বসতবাড়িতে দেশীয় অস্ত্রে হামলা, গলায় বিদ্ধ সুলফি; আহত ৫ মৌলভীবাজারে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত আজ কিংবদন্তি শাহ আবদুল করিমের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী ৮০ লাখ টন কয়লার দরপত্র: নথি যাচাই ও মূল্যায়ন নিয়ে অভিযোগ বাংলা বিভাগ নিয়ে সহকর্মীদের প্রশ্ন, অধ্যাপক সাদেকের উত্তর ‘কেন যাবে না?’ মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সচেতনতার তাগিদ কুষ্টিয়ায় নৌকা ভ্রমণে গিয়ে নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা পাঁচ-সাত দিনের মধ্যে গ্যাস সমস্যা স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী কানাইঘাটে বিজিবি এ্যাসল্ট মামলায় গ্রেফতার-১ উজানীগাঁও গ্রামে মতবিনিময় সভা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী শিপন
advertisement
সিলেট বিভাগ

আজ কিংবদন্তি শাহ আবদুল করিমের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী

লোকসংগীতের কিংবদন্তি বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০০৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ৯৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন ভাটি বাংলার এই গুণী শিল্পী। ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার উজানধলে জন্মগ্রহণ করেন শাহ আব্দুল করিম।

দারিদ্র্য ও জীবনসংগ্রামের মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠা শাহ আব্দুল করিম প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ পাননি। ছোটবেলা থেকেই সংগীতের প্রতি তাঁর গভীর আগ্রহ তৈরি হয়। জীবনের অভিজ্ঞতা, ভাটি অঞ্চলের মানুষের সুখ-দুঃখ, প্রেম-বিরহ, অন্যায়-অবিচার, অসাম্প্রদায়িকতা ও মানবিকতার নানা দিক তাঁর গানে উঠে এসেছে।

শাহ আব্দুল করিম শুধু বাউল গানের শিল্পীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন গণমানুষের কণ্ঠস্বর। তাঁর রচিত ও সুর করা অসংখ্য গান মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছে। ‘আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম’, ‘কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু’, ‘বন্দে মায়া লাগাইছে’, ‘কোন মেস্তোরি নাও বানাইছে’সহ তাঁর বহু গান এখনো সমান জনপ্রিয়। তাঁর সৃষ্টির সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন তথ্য থাকলেও সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী তিনি দেড় সহস্রাধিক গান রচনা করেছেন।

বাংলা লোকসংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০১ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন। এ ছাড়া তিনি রাগিব-রাবেয়া সাহিত্য পুরস্কার, মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননা, সিটিসেল-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসহ অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। তাঁর গান ভাটি অঞ্চলের গণ্ডি পেরিয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এবং নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের কণ্ঠেও নিয়মিত শোনা যায়।

২০০৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর শাহ আব্দুল করিমের জীবনাবসান হলেও তাঁর সৃষ্টি থেমে যায়নি। মৃত্যুর ১৭ বছর পরও তাঁর গান বাংলার মাটি ও মানুষের জীবন, প্রেম, বিরহ, প্রতিবাদ ও মানবিকতার কথা বলে চলেছে। তাঁর জন্মভূমি দিরাইয়ের উজানধল আজও তাঁর স্মৃতি ও সৃষ্টির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর গ্রামের বাড়ি উজানধলে শাহ আব্দুল করিম পরিষদের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও বাউল গানের আসরের আয়োজন করা হয়েছে।

আব্দুল করিমকে স্মরণ করতে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ইতোমধ্যে তাঁর ভক্ত-অনুরাগীরা উজানধলে এসে জড়ো হয়েছেন। তাঁদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে শাহ আব্দুল করিমের স্মৃতিবিজড়িত জন্মভূমি।

এই সম্পর্কিত আরো

জামালগঞ্জে বসতবাড়িতে দেশীয় অস্ত্রে হামলা, গলায় বিদ্ধ সুলফি; আহত ৫

মৌলভীবাজারে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত

আজ কিংবদন্তি শাহ আবদুল করিমের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী

৮০ লাখ টন কয়লার দরপত্র: নথি যাচাই ও মূল্যায়ন নিয়ে অভিযোগ

বাংলা বিভাগ নিয়ে সহকর্মীদের প্রশ্ন, অধ্যাপক সাদেকের উত্তর ‘কেন যাবে না?’

মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সচেতনতার তাগিদ

কুষ্টিয়ায় নৌকা ভ্রমণে গিয়ে নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা

পাঁচ-সাত দিনের মধ্যে গ্যাস সমস্যা স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী

কানাইঘাটে বিজিবি এ্যাসল্ট মামলায় গ্রেফতার-১

উজানীগাঁও গ্রামে মতবিনিময় সভা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী শিপন