সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল বলেছেন, বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যারা সামনের সারিতে ছিলেন এবং নির্বাচনের সময় ধানের শীষের পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন, তাদের অনেকেই এখন পিছনের সারিতে রয়েছেন। নতুনদের ভিড়ে পুরোনো ত্যাগী নেতাকর্মীরা যথাযথ মূল্যায়ন পাচ্ছেন না।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) জামালগঞ্জ সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি কামরুল বলেন, ‘এই দিন দিন না, আরও দিন আছে। ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না করলে সামনের কঠিন সময়ে আন্দোলন করার মতো লোক পাওয়া যাবে না। তাই দুঃসময়ের ত্যাগী নেতাকর্মীদের দলে মূল্যায়ন করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, দ্রুত ইউনিয়ন কমিটি গঠন করে দলকে সুসংগঠিত করতে হবে। তৃণমূলে দলকে শক্তিশালী করতে হলে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের বিকল্প নেই।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মনের ভাষা বুঝতে হবে। তাদের অবমূল্যায়ন করে কখনো দলকে সুসংগঠিত করা যাবে না। সব ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে দলের সব নেতাকর্মীকে নিয়ে কাজ করতে হবে।’
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আজিজুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা উন্মুক্ত বক্তব্য দেন।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মালিক, আজাদ হোসেন বাবলু ও মাছুম মাহমুদ তালুকদার।
এ সময় উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আব্দুর রব, নূরুল হক আফিন্দী, সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম বিন বারী, সহসভাপতি নূরুল আমিন তালুকদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. শাহজাহান, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক স্বপন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুক মিয়া তালুকদার, উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক মোবারক হোসেন, সদস্যসচিব আসাদ নূর সাদী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ওয়াহিদুর রহমান, সদস্যসচিব জায়েদ আহমদ, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তৌফিকুর রহমান, সদস্যসচিব আদনান আল ফয়েজ শুভসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।