মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
সাংবাদিকতা পেশার সংজ্ঞা নির্ধারণ করা দরকার: তথ্যমন্ত্রী মৌলভীবাজারে আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক প্রতিরোধে পুলিশের উন্মুক্ত মতবিনিময় সভা জৈন্তাপুরে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার জসিমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন তিন বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য দেশ গড়তে নতুন প্রজন্মের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ৪০ বছর বাড়ির উঠোনে শেকলবন্দী শফিকুল, পরিবারের দাবি ঘরে তোলার ‘পরিবেশ’ নেই হাওর ও দুর্গম অঞ্চলে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের দেওয়া সরকারি চাকরি বাতিল করল মাদ্রাজ হাইকোর্ট শিক্ষা ক্যাডারে বদলিতে ৩ কমিটি করে নীতিমালা জামালগঞ্জে উড়ালসড়কের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক
advertisement
সিলেট বিভাগ

সরকার জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের পাশে সবসময় থাকবে : সিসিক প্রশাসক

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও যোদ্ধাদের আত্মত্যাগ জাতি কখনো ভুলবে না। তাদের রক্তের বিনিময়েই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়েছে। জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের প্রতি সরকার অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাদের কল্যাণ, পুনর্বাসন ও সম্মান নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ‘জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে সিলেট জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় সিসিক প্রশাসক বলেন, বিগত ১৭ বছরের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান চূড়ান্ত রূপ লাভ করে। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত সেই আন্দোলনে অসংখ্য নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

তিনি বলেন, "যারা দীর্ঘ ১৭ বছর রাজপথে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন করেছেন এবং যারা জুলাই আন্দোলনে সরাসরি অংশ নিয়ে আত্মত্যাগ ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তাদের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।"

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনে আহতদের সুচিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং শহীদ পরিবারের সার্বিক কল্যাণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রাষ্ট্র তাদের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস ও আত্মত্যাগের চেতনা তুলে ধরার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।

প্রধান বক্তা বলেন, জুলাই আন্দোলন জাতিকে ঐক্যের শিক্ষা দিয়েছে। তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমেই দীর্ঘদিনের অপশাসন থেকে মুক্তি সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন কেউ ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের পথে না হাঁটে, সে জন্য দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রকৃত কোনো আহত জুলাই যোদ্ধা তালিকার বাইরে থাকলে যাচাই-বাছাই করে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তিনি শহিদ পরিবার ও আহতদের প্রতি সরকারি সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।

আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. এনামুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেলুর রহমান, সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. মো. নাসির উদ্দিন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. শামসুজ্জামান এবং সমাজসেবা অধিদপ্তর, সিলেটের উপপরিচালক মো. আব্দুর রফিক।

শহীদ পরিবারের পক্ষে বক্তব্য দেন শহীদ পাভেলের পিতা মো. রফিক উদ্দিন এবং শহীদ মিনহাজ আহমদের বড় ভাই সাঈদ আলমগীর। এছাড়া বক্তব্য দেন জুলাই যোদ্ধা সংসদ সিলেটের আহ্বায়ক লিটন আহমেদ এবং ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র সদস্যসচিব আব্দুল মতিন।

আলোচনা সভায় শহীদ পরিবারের সদস্যরা নিয়মিত তাদের খোঁজখবর রাখা, আর্থিক ও সামাজিক সহায়তা অব্যাহত রাখা, আহতদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা, জুলাই আন্দোলনে সিলেট জেলার ১৪ জন শহীদের স্মৃতি সংরক্ষণে তাঁদের নামে সড়ক বা গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের নামকরণ এবং শহীদ পরিবার ও আহতদের জন্য একটি স্থায়ী কল্যাণ তহবিল গঠনের দাবি জানান।

এর আগে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর নেতৃত্বে রিকাবীবাজারে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা। এ সময় সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ উল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এই সম্পর্কিত আরো

সাংবাদিকতা পেশার সংজ্ঞা নির্ধারণ করা দরকার: তথ্যমন্ত্রী

মৌলভীবাজারে আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক প্রতিরোধে পুলিশের উন্মুক্ত মতবিনিময় সভা

জৈন্তাপুরে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার জসিমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

তিন বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য

দেশ গড়তে নতুন প্রজন্মের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

৪০ বছর বাড়ির উঠোনে শেকলবন্দী শফিকুল, পরিবারের দাবি ঘরে তোলার ‘পরিবেশ’ নেই

হাওর ও দুর্গম অঞ্চলে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের দেওয়া সরকারি চাকরি বাতিল করল মাদ্রাজ হাইকোর্ট

শিক্ষা ক্যাডারে বদলিতে ৩ কমিটি করে নীতিমালা

জামালগঞ্জে উড়ালসড়কের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক