জগন্নাথপুর পাগলা আউশকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কে সংযুক্ত মজিদপুর থেকে এরালিয়া বাজার সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত হয়ে জমে আছে পানি যেন এক একটি পুকুর। উঠে গেছে রাস্তার পিচ ঢালাই, ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে পাথর। এ যেন সড়ক নয়, মরণফাঁদ। কয়েক মাস ধরে চরম দুভোর্গ শিকার হচ্ছেন , স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রী, যানবাহন ও যাত্রীরা।
বিশেষ করে টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে এমন আরো বেশি নাজুক পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে মজিদপুর পয়েন্ট থেকে এরালিয়া বাজার পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার । এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে গণ-পরিবহণ ও যাত্রীরা। মাঝেমধ্যে ঘটছে দুর্ঘটনা।
জানা গেছে, বর্তমানে এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন জেলা শহর সুনামগঞ্জ উপজেলা সদর জগন্নাথপুর যানবাহন গুলো যাতায়াত করে। সংস্কারের অভাবে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন যাবত সংস্কার-হীন থাকায় প্রায় ৪ কিলোমিটার জুড়ে সড়কটি ছোট-বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সেই ক্ষত আরও বৃদ্ধি পেয়েছে টানা বৃষ্টিতে। সড়কের বেহাল দশার কারণে দুর্ঘটনার শঙ্কা নিয়েই যাত্রীদের এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। অনেক সময় যাত্রীরা অটোরিকশা থেকে পড়ে আহত হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন অনেকে। ছোট-বড় গর্ত এড়িয়ে গণ-পরিবহনগুলোকে চলতে হচ্ছে এঁকে-বেঁকে হেলে-দুলে। যা চালকদের জন্যে অস্বস্তিকর। রোগী নিয়ে এই সড়ক দিয়ে চলাচল করা অনেকটা অসম্ভব।
এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী মনির আহমদসহ কয়েকজন যাত্রী জানান, এই সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে থাকেন। এতো গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি এখন পর্যন্ত সংস্কার না করায় টানা বৃষ্টিতে পুরো সড়কটি আরো মরণ-ফাঁদে পরিণত হয়েছে। অতিদ্রুত সড়কটির সংস্কার দাবি করেছেন তারা।
সিএনজি ও টমটম চালক হাসান, কাদিরসহ একাধিক লোকজন বলেন, সড়কের দুরবস্থার কারণে বড় বড় যানবাহনগুলো কোনোভাবে চলাচল করতে পারলেও তাদের সিএনজি ও অটোরিক্সা নিয়ে এই সড়কে চলাচল করা অসাধ্য ব্যাপার। অধিকাংশ সময় অটোরিকশা হেলে যায়। এতে অনেক যাত্রী পড়ে আহত হচ্ছেন।