সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ ও ছাতক অঞ্চলের বিশিষ্ট সালিশ ব্যক্তিত্ব, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইছাকলস ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী কুটি মিয়া আর নেই। গতরাতে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, তিন মেয়ে, দুই সহোদর, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মরহুম হাজী কুটি মিয়া কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইছাকলস ইউনিয়নের নিজগাঁও গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন। জীবদ্দশায় তিনি এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষামূলক ও ধর্মীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। এছাড়া শিল্পশহর ছাতকে একজন প্রথম সারির পাথর-বালু ব্যবসায়ী হিসেবেও তাঁর বেশ সুনাম ও সুখ্যাতি ছিল। দুই উপজেলার সাধারণ মানুষের মাঝে একজন অত্যন্ত সজ্জন ও ন্যায়পরায়ণ সালিশ ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি সমাদৃত ছিলেন।
আজ মরহুমের নিজ বাড়ির পাশে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ‘চেয়ারম্যান মাঠে’ তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। হাফেজ মাওলানা তোরাব আলীর ইমামতিতে অনুষ্ঠিত এই জানাজায় ছাতক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, বর্তমান ও সাবেক জনপ্রতিনিধি, উলামায়ে কেরাম এবং ব্যবসায়ীসহ কয়েক হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেন। জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে পরম শ্রদ্ধায় সমাহিত করা হয়।
এদিকে, বিশিষ্ট এই সমাজসেবকের মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মরহুম হাজী কুটি মিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়ী মহলের পক্ষ থেকে পৃথক পৃথক শোকবার্তা দেওয়া হয়েছে।