সিলেটের সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতার বিকাশে এ অঞ্চলের সাপ্তাহিক পত্রিকাগুলোর ভূমিকা অনস্বীকার্য বলে মন্তব্য করেছেন বক্তারা। তারা বলেন, দৈনিক পত্রিকার আগের সময়ে সাপ্তাহিক পত্রিকাগুলোই ছিল সাংবাদিকতা চর্চার প্রধান মাধ্যম। অনেক খ্যাতিমান সাংবাদিক সাপ্তাহিক পত্রিকায় লেখালেখির মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তাই এ অঞ্চলের সংবাদপত্র শিল্পের অগ্রযাত্রায় যাঁরা সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশ করেছেন, তাঁদের অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, ইচ্ছা করলে তাঁরা শিল্প-কারখানা কিংবা অট্টালিকা নির্মাণে বিনিয়োগ করতে পারতেন। কিন্তু সমাজ ও মানুষের কল্যাণে সৃজনশীল কাজকে প্রাধান্য দিয়ে সংবাদপত্র প্রকাশের মাধ্যমে আলোকিত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। এ ক্ষেত্রে আতাউর রহমান এবং মো. আখতারুজ্জামান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
সাপ্তাহিক ‘সিলেটের তথ্য’ পত্রিকার প্রকাশক আতাউর রহমান এবং সাপ্তাহিক ‘গোলাপ’ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মো. আখতারুজ্জামানের মৃত্যুতে আয়োজিত শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তারা এসব কথা বলেন। শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে সিলেটের তালতলাস্থ গুলশান রেস্টুরেন্টে এ শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আবুল কাশেম রুমন। বিএম সিলেট মিডিয়া গ্রুপের আয়োজনে ও মিডিয়া গাইডের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. ফয়ছল আলম। সম্মানিত অতিথি ছিলেন মাওলানা হাবিব আহমদ শিহাব।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খালেদ আহমদ, ছিদ্দিকুর রহমান, হুমায়ুন কবির লিটন, মতিউর রহমান খান, মুহিবুর রহমান, সাজন আহমদ সাজু এবং আক্তার হোসেন।
সভায় কোরআন তেলাওয়াত করেন রেজওয়ানুল বারী। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন খায়রুল ইসলাম শোয়েব এবং ঈসা তালুকদার। আলোচনা সভা শেষে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা হাবিব আহমদ শিহাব। মোনাজাতে মরহুম আতাউর রহমান ও মো. আখতারুজ্জামানের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।