সিলেটের ওসমানীনগরে যাত্রীবাহী দুই বাসের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে ৭ এবং পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এ ছাড়া আহত হয়েছেন ১৬ জন। এর মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদেরকে
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল সোয়া ৭টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাশিকাপন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ৯ জনের মধ্যে চার জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলেন সিলেট নগরীর সোবহানীঘাটের উত্তম রায়ের ছেলে সপ্তম রায় প্রীতম (২৫), ঢাকার বিক্রমপুরের জাহাঙ্গীর শেখের শিশুকন্যা জাইফা (৪), কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত সাফিউদ্দিনের ছেলে হাজী সাইফুল ইসলাম (৫০) ও একই জেলার ভৈরব উপজেলার চন্ডিবের এলাকার বাবুল মিয়ার মেয়ে শিল্পি পেহেলী ভৈরবী (১৭)।নিহতরা ইউনিক পরিবহনের যাত্রী ছিলেন।
হাইওয়ে পুলিশ জানায়, আজ শুক্রবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে দয়ামীরস্থ কাশিকাপন এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সিলেট থেকে ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস এবং সিলেটমুখী বেঙ্গল পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ৮ জন নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়।
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. উমর রাশেদ মুনীর এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা হাসাপাতালে আহত অবস্থায় ১৬ জনকে পেয়েছি। এদের মধ্যে দুইজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ১৪ জনের মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদেরকে হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সিলেটের ওসমানীনগর থানার উপপরিদর্শক আমিনুল ইসলাম জানান, তাৎক্ষণিকভাবে সবার পরিচয় পাওয়া যায়নি। পরিচয় সনাক্তে পুলিশ কাজ চলছে।