রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
সিলেট ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান পেতে একঝাঁক তরুণের দৌঁড়ঝাপ ধর্মপাশা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আহত রোগীর চাপ, বেড না পেয়ে ফ্লোরে চিকিৎসার অপেক্ষা শ্রীমঙ্গলে কাপড়ের আলনার ড্রয়ারে প্রাণঘাতী পদ্ম গোখরা উদ্ধার চুনারুঘাটে তাহেরীয়া সুন্নী যুব সংগঠনের কমিটি গঠন নিয়ে মতবিনিময় সিলেটে পরিবারসহ সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি জামালগঞ্জে ৪ স্টোন ক্রাশারকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানা সিলেট মহানগর মোটরযান চালক দলের পরিচিতি সভা হবিগঞ্জে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ: পুলিশের দুই সদস্য প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি সই বাংলাদেশের জৈন্তাপুরে জঙ্গলে মিলল বিদেশি অস্ত্র ও লুটের গুলি
advertisement
সিলেট বিভাগ

সিলেটে শিশু ফাহিমা হত্যা মামলার রায়: জাকিরের মৃত্যুদণ্ড, দুই আসামির খালাস

সিলেটের আলোচিত শিশু ফাহিমা আক্তার হত্যা মামলায় প্রধান আসামি জাকির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে অভিযোগে থাকা অপর দুই আসামি জয়নাল আহমদ ও আবুল কালামকে সাক্ষ্য-প্রমাণের অভাবে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সিলেট মহানগর শিশু সহিংসতা ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও বিশেষ জজ আবু ওবায়দা এ রায় ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও সিলেট মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. বদরুল আহমদ চৌধুরী।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জাকির হোসেন সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা পশ্চিমপাড়ার ধন রায়ের চক এলাকার বাসিন্দা মৃত তোতা মিয়ার ছেলে। তিনি নিহত শিশু ফাহিমা আক্তারের চাচা।

রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, মাত্র তিন মাসের মধ্যে মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন করে আদালত রায় ঘোষণা করেছেন। জাকিরের দুই ভাই জয়নাল আহমদ ও আবুল কালামের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের খালাস দেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, চলতি বছরের ৬ মে চার বছর বয়সী ফাহিমা আক্তার নিখোঁজ হয়। তিনি দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে। দুই দিন পর, ৮ মে ভোরে গ্রামের একটি ডোবার পাশ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

তদন্তে পুলিশ অভিযোগ করে, জাকির হোসেন শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে হত্যা করেন। পরে মরদেহ গুমের চেষ্টা করেন। অভিযোগপত্রে তার দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে মরদেহ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হলেও আদালতে তা প্রমাণিত হয়নি।

ঘটনার পর ১১ মে রাতে জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তিনি পুলিশের কাছে এবং আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে ঘটনার এক মাস পাঁচ দিনের মাথায় জাকির হোসেন, জয়নাল আহমদ ও আবুল কালামের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

▐ এই সম্পর্কিত আরো

সিলেট ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান পেতে একঝাঁক তরুণের দৌঁড়ঝাপ

ধর্মপাশা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আহত রোগীর চাপ, বেড না পেয়ে ফ্লোরে চিকিৎসার অপেক্ষা

শ্রীমঙ্গলে কাপড়ের আলনার ড্রয়ারে প্রাণঘাতী পদ্ম গোখরা উদ্ধার

চুনারুঘাটে তাহেরীয়া সুন্নী যুব সংগঠনের কমিটি গঠন নিয়ে মতবিনিময়

সিলেটে পরিবারসহ সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি

জামালগঞ্জে ৪ স্টোন ক্রাশারকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানা

সিলেট মহানগর মোটরযান চালক দলের পরিচিতি সভা

হবিগঞ্জে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ: পুলিশের দুই সদস্য প্রত্যাহার

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি সই বাংলাদেশের

জৈন্তাপুরে জঙ্গলে মিলল বিদেশি অস্ত্র ও লুটের গুলি