বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
advertisement
সিলেট বিভাগ

সুনামগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

সুনামগঞ্জে নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা, জুলাই যোদ্ধা ও জুলাই শহিদ পরিবারকে সংবর্ধনা প্রদান এবং পুরস্কার বিতরণি অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বুধবার (৫ আগস্ট) বেলা ১১টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির হাছন রাজা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক অসীম চন্দ্র বর্মন। 

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল বলেন, জুলাই আন্দোলনে ছাত্রসমাজের সাহসী ভূমিকা ছিল অপ্রতিরোধ্য। পাশাপাশি দেশের সাধারণ মানুষ, বিভিন্ন শ্রেণিপেশার নাগরিক ও অন্যান্য সমমনা রাজনৈতিক কর্মীরাও অধিকার আদায়ের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন। আমরা বিশ্বাস করি ৫ আগস্টের শিক্ষা হলো ঐক্য, দায়িত্বের এবং জনগণের প্রতি জবাবদিহিতার শিক্ষা।

এমপি নুরুল আরও বলেন, এই দিনটি শুধু একটি ক্যালেন্ডারের তারিখ নয়, এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ, অধিকার প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা এবং একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রতীক। তিনি গভীর শ্রদ্ধার সাথে জুলাই শহীদদের স্মরণ করেন এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক দ্বিপান্বীতা দেবী ও জেলা শিল্পকলার কালচারাল অফিসার আহমেদ মঞ্জুরুল হক পাবেল এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকির হোসেন পিপিএম, সিভিল সার্জন ডা. মো জসিম উদ্দিন, পিপি অ্যাডভোকেট মল্লিক মঈন উদ্দিন সোহেল, এডিশনাল পিপি অ্যাডভোকেট শেরেনুর আলী, অ্যাডভোকেট মাসুক আলম, আবুল কালাম আজাদ, নজরুল ইসলাম, জুনেদ আহমদ, আ ত ম মিসবাহ, ফারুক আহমদ লিলু, মুর্শেদ আলম, এ টি এম হেলাল, তফাজ্জুল হোসেন, আজিজুর রহমান সৌরভ প্রমুখ।

এছাড়াও বক্তব্য দেন জুলাইযোদ্ধা জহুর আহমদ, রিপন মিয়া, সায়মন আহমেদ শিহাব, রাহুল মোহাম্মদ নূর উদ্দিন, সাদিকুর রহমান চৌধুর, ওবায়দুল ইসলাম, মোহাম্মদ তারেক মিয়া, জাহাঙ্গীর  আলম, কামরুল হাসান রাজু, অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ কয়েছ, মোহাম্মদ বুজ্জু মিয়া, হাফেজুল ইসলাম রাজু, শহিদ মোহাম্মদ আয়তুল্লার পিতা সিরাজুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট হাফেজা ফেরদৌস লিপন।

এদিকে দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন নানা কর্মসূচি পালন করেছে। এর মধ্যে ছিল বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিশু একাডেমিতে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ৫ দিনব্যাপী আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, শিশুপার্ক ও ঐতিহ্য জাদুঘরে শিশুদের জন্য বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ। এছাড়া সরকারি হাসপাতাল, কারাগার ও শিশু পরিবারে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন এবং শহরের প্রধান সড়ক ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়।

এই সম্পর্কিত আরো