সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া ইউনিয়নে জলবায়ু সহনশীল উচ্চ ফলনশীল নতুন জাতের আমন ধানের চাষাবাদ বিষয়ে কৃষকদের জন্য দুই দিনব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। প্রশিক্ষণে পাথারিয়া ইউনিয়নের নতুন জাহানপুর ও হাসারচর গ্রামের ২০ জন নির্বাচিত কৃষক অংশগ্রহণ করেন।
রবিবার (১২ জুলাই ২০২৬) সকাল ১০টায় পাথারিয়া ইউনিয়নের গণিগঞ্জে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এসেড হবিগঞ্জের আয়োজনে প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। জাপান ফান্ড ফর গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট (জেএফজিই) এবং শেয়ার দ্য প্ল্যানেট অ্যাসোসিয়েশন, জাপানের সহযোগিতায় বাস্তবায়নাধীন ENRICH প্রকল্পের আওতায় দুই দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
প্রশিক্ষণের সমাপনী দিনে রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শান্তিগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোফাজ্জল হোসেন এবং পাথারিয়া ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শ্রাবন্তী রানী দেব। প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এসেড হবিগঞ্জের প্রোগ্রাম ম্যানেজার নির্মল কুমার বিশ্বাস এবং ENRICH প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার এ এইচ এম আনিসুজ্জামান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডিআর-সিসিএএ প্রকল্পের সহকারী প্রকল্প কর্মকর্তা সাজ্জাদুর রহমান, ENRICH প্রকল্পের পাথারিয়া ইউনিয়নের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট দীপলু সূত্রধর, শিমুলবাগ ইউনিয়নের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট জামিল হক, ডিআর-সিসিএএ প্রকল্পের জয়কলস ইউনিয়নের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট জাকারিয়া এবং পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট মোসাদ্দিক হোসেন সাকিব।
প্রশিক্ষণে কৃষকদের জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় উপযোগী উচ্চ ফলনশীল নতুন জাতের আমন ধানের চাষাবাদ, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার, রোগবালাই দমন, পরিচর্যা ও উৎপাদন বৃদ্ধির বিভিন্ন কৌশল বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
আয়োজকরা জানান, জলবায়ু সহনশীল আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির প্রসারের মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এ প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য।