শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
জটিল রোগে আক্রান্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পু, কী এই ‘অটোনমিক নিউরোপ্যাথি’? কুলাউড়ায় কালিটি চা বাগানে শ্রমিকদের কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ সমাবেশ জামালগঞ্জে উল্টো রথযাত্রা অনুষ্ঠিত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন দিরাই থানা পুলিশের অভিযানে তিন আসামি গ্রেপ্তার জগন্নাথপুর সাংবাদিক ফোরামের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি গঠন পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন সাহাবুদ্দিন বিয়ানীবাজারে ঐতিহ্যবাহী বাসুদেবের উল্টো রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত হাজী জছির আলী বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠিত, নেতৃত্বে শামীম ও মাহবুব মো. সাহাবুদ্দিনকে নিয়ে হাফিজ উদ্দিন - তিনি মাফিয়া আমলে নির্বাচিত হলেও জনগণের সরকারের প্রতি তাঁর সমর্থন ছিল
advertisement
জাতীয়

পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন সাহাবুদ্দিন

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়া মো. সাহাবুদ্দিন যে পদত্যাগ জমা দিয়েছেন, তাতে কারণ হিসেবে ‘শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার’ কথা বলেছেন তিনি।

আর নিজের মেয়াদকাল মূল্যায়ন করতে গিয়ে লিখেছেন, তার ‘সুদৃঢ় ও ইতিবাচক ভূমিকার কারণে’ দেশে কোনো সাংবিধানিক বিপর্যয় ঘটেনি।

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করছেন— এমন গুঞ্জন শুরু হয় ২২ জুলাই। এর দুই দিন পর শুক্রবার (২৪ জুলাই) পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। এদিন বিকালে বঙ্গভবনের তরফে তার পদত্যাগপত্র প্রকাশ করা হয়, যেখানে তারিখ লেখা আছে ২০২৬ সালের ২৪ জুলাই।

তবে পদত্যাগপত্র সামনে আসার আগেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত তিনি সংবাদমাধ্যমের কাছে স্বীকার করেন।

এদিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “এটা তো সর্বজনবিদিত, আমার মুখ থেকে শুনে কী লাভ? আই অ্যাম সিক, সো ইট ইজ ডান।”

পদত্যাগপত্রে সই করেছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বলে দিছি, বুঝে নেন।”

যা লিখেছেন পদত্যাগপত্রে

স্পিকার বরাবর লেখা পদত্যাগপত্রে সাহাবুদ্দিন বলেছেন, “আমি মো. সাহাবুদ্দিন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করি এবং অদ্যবধি নিষ্ঠা, সততা ও সংবিধানের প্রতি পূর্ণ আনুগত্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছি।

“প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালে ৫ অগাস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানের মুখে তৎকালীন সরকারের পতনের পর দেশে শাসনতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি হয়। সাংবিধানিক সংকট থেকে উত্তরণের অভিপ্রায়ে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে আমি রাষ্ট্রপতি হিসেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত কামনা করি। অতঃপর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পরামর্শক্রমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাজনৈতিক দলসমূহের সঙ্গে পরামর্শক্রমে জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন আয়োজন করে।”

সাহাবুদ্দিন এরপর লিখেছেন, “নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে বর্তমান সরকার গঠিত হয়ে সরকার পরিচালনা করছে। বর্তমানে সরকারি দল ও বিরোধী দল গণতান্ত্রিক চর্চার মধ্যে দিয়ে জাতীয় সংসদে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করছে। আমার সুদৃঢ় ও ইতিবাচক ভূমিকার কারণে দেশে কোনো সাংবিধানিক বিপর্যয় ঘটেনি।”

পদত্যাগের কারণ তুলে ধরে তিনি লেখেন, “আমি গুরুতর অসুস্থ। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছি। আমার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। ইদানিং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি নামে রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে আমি মাঝে মাঝে ক্ষণিক অচেতন হয়ে যাই।

“রোগসমূহের প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমার দীর্ঘ মেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন। এমন অবস্থায়, সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করছি।”

এই সম্পর্কিত আরো

জটিল রোগে আক্রান্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পু, কী এই ‘অটোনমিক নিউরোপ্যাথি’?

কুলাউড়ায় কালিটি চা বাগানে শ্রমিকদের কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ সমাবেশ

জামালগঞ্জে উল্টো রথযাত্রা অনুষ্ঠিত

মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

দিরাই থানা পুলিশের অভিযানে তিন আসামি গ্রেপ্তার

জগন্নাথপুর সাংবাদিক ফোরামের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি গঠন

পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন সাহাবুদ্দিন

বিয়ানীবাজারে ঐতিহ্যবাহী বাসুদেবের উল্টো রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত

হাজী জছির আলী বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠিত, নেতৃত্বে শামীম ও মাহবুব

মো. সাহাবুদ্দিনকে নিয়ে হাফিজ উদ্দিন তিনি মাফিয়া আমলে নির্বাচিত হলেও জনগণের সরকারের প্রতি তাঁর সমর্থন ছিল