মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করবে: মাহদী আমিন রহিমার সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে সিলেট প্রেস ক্লাবে কনরের পাল্টা সংবাদ সম্মেলন বানিয়াচংয়ে এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, ঝাড়ু মিছিল হাসিনা দেশে আসলে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, জানালেন নাহিদ কাশ্মির থেকে বেলুচিস্তান: পাকিস্তানের সামনে ইতিহাসের শিক্ষা ওসমানীনগরে অস্ত্র নিয়ে ঘোরাঘুরি, জনতার হাতে আটক ৩ যুবক ‘সম্পত্তি দান করেও ভোগের অধিকার থাকবে বাবা-মা ও দাদা-দাদির’ দোয়ারাবাজারে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ: এলাকাবাসীর হাতে নৌকা-ড্রেজার আটক বানিয়াচংয়ে তীব্র লোডশেডিং, দিনে মিলছে মাত্র ৪-৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ শান্তিগঞ্জে হাডুডু উৎসব: ৪০ দলের অংশগ্রহণে মুখর জয়কলস গ্রাম
advertisement
সিলেট বিভাগ

কৃষকের কথা

জমি কইরা পুষায় না ইতা এরবাদেও করন ওই লাগবো!

কুমেদ লাল দাস। শাল্লা উপজেলার ভান্ডাবিল হাওরের কৃষক। তিনি এই হাওরে ৫ কেদার বোরো জমি চাষ করেছিলেন। ধানের মূল্যের প্রতি আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি এই প্রতিবেদককে জানান, বোরোধান চাষ করে এখন পুষায় না (লাভ নেই)। জমি কইরা পোষায় না, কাম কাজ নাই তো তাই করি। পুষায় বা না পুষায় ইডা (এই কাজ) তো করন ওই লাগবো। এছাড়া তো গ্রামে আর কোন কাজ নাই। ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা মণ ধান বিক্রি করা লাগে। যে ক্ষেত (জমি) করছি ইতায় (তাতে) খরচ ওই ওয় না।
গরুও আছে ৫টা, গরুর (খানি) খড়ের (লাগি) জন্য হলেও কৃষি কাজ করাই লাগে। নাহলে গরুও বাঁচানি যাইতো না। সার,ঔষধের (কীটনাশক) খুব বেশি দাম। ধানেরও পর্যাপ্ত মূল্য না থাকায় ছেলেমেয়ে নিয়ে খুব বেকায়দার কথা জানান তিনি। 

৮০০ টাকা রোজে শ্রমিক দুই ছেলে ও তার স্ত্রী, সহ কৃষি জমিতে ধান কাটায় ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে এই কৃষককে। কৃষক কুমেদ লাল দাস জানান, কেত (জমি) করছি মোট পাঁচ কের (কেদার)। ধান পাইমু ৭০-৮০ মণ। ধান (কাটা),শ্রমিককে দিতে হয়েছে চার হাজার টাকা। ধান মাড়াই ও ট্রলি দিয়ে বাড়িতে নেওয়া সহ অনেক খরচের কথা জানালেন তিনি। তিনি বলেন কেত (জমি) কইরা কোন লাভ নেই। ইতা আরো লস। জমি কইরা এখন উপকৃত অওয়া (হওয়া) যায় না। খালি (শুধু) কইরা (করে) থাকন। ইতা লস,লাভবান অওয়া যায় না। বোরোধানের কাজ শেষ করে কি কাজ করবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,বর্ষায় হাওরে মাছও মারন (মারা) যায় না। বিলের পাড়ো (পাড়ে) গেলেই মালদাররা (ইজারাদারেরা) চিল্লায়। 

তিনি বলেন, খবর পাইছি গুদামো (গুদামে) সরকারে ধান নিবো। কিন্তু সেখানে ধান দেওয়ার মতো আমাদের পরিস্থিতিও নাই। কারন জানতে চাইলে তিনি বলেন, শুনেছি ধান নিবে অইলে (সর্বোচ্চ) দেড়টন,কিন্তু ধান পরিবহন করে নিতে আমাদের যে খরচ অইবো (হবে) সে পরিমাণে পুষবে না। কৃষক কুমেদ লাল দাস ছাড়াও ভেড়াডহর হাওরের কৃষক সতেন্দ্র বৈষ্ণব, ভরাম হাওরের কৃষক বিশ্বরূপ দাশ, ভান্ডাবিল হাওরের কৃষক দ্বীন ইসলাম সহ আরো বেশ কয়েকজন কৃষকের সাথে কথা বলেন এই প্রতিবেদক। তারাও একই দূর্দশার কথা জানান।


কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সৈকত জামিল বলেন, কৃষকেরা যাতে ধানের সর্বোচ্চ মূল্য পায় সেবিষয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। কৃষকদের নিয়ে আমাদের অনেক ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন এই এলাকার কৃষকদের মেধা শক্তি রয়েছে। নতুন নতুন উদ্ভাবনে তাদেরকে কাজে লাগাতে হবে, তাদেরকে উৎসাহিত করতে হবে। বোরোধান আবাদ ছাড়াও অন্যান্য ফসল চাষে এই এলাকার কৃষকদের এগিয়ে আসতে হবে বলে জানান তিনি।

এই সম্পর্কিত আরো

সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করবে: মাহদী আমিন

রহিমার সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে সিলেট প্রেস ক্লাবে কনরের পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

বানিয়াচংয়ে এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, ঝাড়ু মিছিল

হাসিনা দেশে আসলে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, জানালেন নাহিদ

কাশ্মির থেকে বেলুচিস্তান: পাকিস্তানের সামনে ইতিহাসের শিক্ষা

ওসমানীনগরে অস্ত্র নিয়ে ঘোরাঘুরি, জনতার হাতে আটক ৩ যুবক

‘সম্পত্তি দান করেও ভোগের অধিকার থাকবে বাবা-মা ও দাদা-দাদির’

দোয়ারাবাজারে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ: এলাকাবাসীর হাতে নৌকা-ড্রেজার আটক

বানিয়াচংয়ে তীব্র লোডশেডিং, দিনে মিলছে মাত্র ৪-৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ

শান্তিগঞ্জে হাডুডু উৎসব: ৪০ দলের অংশগ্রহণে মুখর জয়কলস গ্রাম