পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জগন্নাথপুরে বিশাল প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ করেছে উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় জগন্নাথপুর পৌর পয়েন্ট থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলটি পৌর পয়েন্টে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদের নেতৃত্বে এই বিশাল মিছিলে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার হাজারো নেতাকর্মী অংশ নেন।
জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু হুরায়রা সাদ মাস্টারের সভাপতিত্বে এবং পৌর বিএনপির আহ্বায়ক সালাউদ্দিন মিটু ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন আহমেদের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি কয়ছর আহমেদ বলেন, পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসররা দেশে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করার পায়তারা করছে। আজকের এই সমাবেশ থেকে আমরা স্পষ্ট জানিয়ে দিতে চাই, এ দেশে ফ্যাসিবাদী শক্তির আর কোনো স্থান হবে না। খুনি হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশবিরোধী যেকোনো অপতৎপরতা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে এবং কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জেও উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। কোনো অবস্থাতেই সন্ত্রাস, মাদক ও জুয়ার সঙ্গে জড়িতদের ছাড় দেওয়া হবে না।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য ও জেলা আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মল্লিক মঈন উদ্দিন সুহেল, জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল মুকিত ও অ্যাডভোকেট জিয়াউর রহিম শাহিন।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ও পৌর বিএনপির বিভিন্ন স্তরের যুগ্ম-আহ্বায়কবৃন্দ, সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যানগণ, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ।