মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
কানাইঘাটে লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপি জাসাসের পরিচিতি সভা ধর্মপাশা বাজারের নদীর পাড়ে ময়লার স্তূপ, ব্যবস্থাপনার উদ্যোগের আশ্বাস ইউএনওর ‘নৈরাজ্য সৃষ্টি করলে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করা হবে’—শান্তিগঞ্জে এমপি কয়ছর লন্ডনের বাঙালি পাড়ায় পরিচিত মুখ শারমিন আহমেদ বিথী চুনারুঘাটে বালুমহালের সীমানার বাইরে বালু উত্তোলন, লাখ টাকা জরিমানা ধর্মপাশায় ৮ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক বিশ্বনাথে সংঘর্ষের পর পুরুষশূন্য দুই গ্রাম, আটক ২ কানাইঘাটে জেলা যুবদলকে অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ মিছিল বায়ুদূষণ ও তামাক নিয়ন্ত্রণে জোর দিলেন বিশেষজ্ঞরা সাইবার সুরক্ষা আইনকে কোনোভাবেই নিপীড়নমূলক হতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
advertisement
সিলেট বিভাগ

জগন্নাথপুরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় অতিবৃষ্টি ও অকাল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য সরকারি প্রণোদনা ও মানবিক সহায়তার তালিকা প্রণয়নে ব্যাপক অনিয়ম, পক্ষপাতিত্ব ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দুই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে বোরো ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সরকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য চাল ও নগদ অর্থ সহায়তা বরাদ্দ দেয়। এ লক্ষ্যে ইউনিয়নের ভুরাখালী ও বাউধরন গ্রামের কৃষকদের নাম ও জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি সংগ্রহ করেন সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যরা। তবে বরাদ্দ বিতরণের সময় প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বাদ দিয়ে কৃষিকাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন এমন ব্যক্তিদের মধ্যে সরকারি সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, বর্গাচাষী ও প্রান্তিক চাষিদের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে আত্মীয়স্বজন ও পছন্দের লোকজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে প্রকৃত কৃষকরা সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

বাউধরন গ্রামের কৃষক আব্দুল হামিদ বলেন, ‘সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে বলে আমাদের কাছ থেকে নাম ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিতরণের সময় আমাদের বাদ দিয়ে অন্যদের মধ্যে চাল ও নগদ অর্থ দেওয়া হয়েছে। আমি এ বছর ৮ কেদার জমিতে বোরো আবাদ করেছিলাম। অতিবৃষ্টিতে সব ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এখন চরম কষ্টে আছি।’

ভুরাখালী গ্রামের আবজল, মুক্তার হোসেনসহ একাধিক কৃষক জানান, হাওরাঞ্চলের মানুষের সারা বছরের জীবিকা মূলত বোরো ফসলের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এবারের অতিবৃষ্টিতে ফসলহানির কারণে তারা নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। সরকারি সহায়তার আশ্বাস পেলেও শেষ পর্যন্ত তারা কোনো বরাদ্দ পাননি। তাদের অভিযোগ, তালিকা প্রণয়নে স্বজনপ্রীতি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য সালাউদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যেই সরকারি বরাদ্দ বিতরণ করা হয়েছে।’

জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসলাম উদ্দিন বলেন, ‘অভিযোগপত্র পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

▐ এই সম্পর্কিত আরো

কানাইঘাটে লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপি জাসাসের পরিচিতি সভা

ধর্মপাশা বাজারের নদীর পাড়ে ময়লার স্তূপ, ব্যবস্থাপনার উদ্যোগের আশ্বাস ইউএনওর

‘নৈরাজ্য সৃষ্টি করলে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করা হবে’—শান্তিগঞ্জে এমপি কয়ছর

লন্ডনের বাঙালি পাড়ায় পরিচিত মুখ শারমিন আহমেদ বিথী

চুনারুঘাটে বালুমহালের সীমানার বাইরে বালু উত্তোলন, লাখ টাকা জরিমানা

ধর্মপাশায় ৮ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক

বিশ্বনাথে সংঘর্ষের পর পুরুষশূন্য দুই গ্রাম, আটক ২

কানাইঘাটে জেলা যুবদলকে অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ মিছিল

বায়ুদূষণ ও তামাক নিয়ন্ত্রণে জোর দিলেন বিশেষজ্ঞরা

সাইবার সুরক্ষা আইনকে কোনোভাবেই নিপীড়নমূলক হতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী