১ লাখ ৬০ হাজার প্রতিযোগী নিয়ে আগামী শনিবার (২ মে) সিলেটে শুরু হচ্ছে বৃহৎ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস। সিলেটে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মূলত দেশের তৃণমুল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদকে খোঁজে বের করে আনার লক্ষ্যে এই নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আজ বুধবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন প্রতিযোগিতার ব্যাপারে বিস্তারিত জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানান, সারা দেশজুড়ে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার ও মার্শাল আর্ট- এই আট ডিসিপ্লিনে দেড় লাখের বেশি কিশোর-কিশোরী অংশ নিচ্ছে। প্রতিটি ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের খেলা শেষে জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত পর্বের খেলা অনুষ্ঠিত হবে। আগামী অর্থ বছর শুরু হওয়ার আগে জুনের মধ্যে এই প্রতিযোগিতা শেষ করা যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। আমিনুল হক জানান, জাতীয় পর্যায়ে বাছাইকৃত খেলোয়াড়দেরকে সরকারের পক্ষ থেকে স্কলারশিপ দেওয়া হবে।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মেধাবী ও সম্ভাবনাময় ক্রীড়াবিদদের বিকেএসপিতে সুযোগ করে দেব। মেধাবী কিশোর-কিশোরীরা কোনো না কোনো স্কুলের শিক্ষার্থী হবে, ফলে তাদের ক্রীড়া বৃত্তির আওতায় আনা হবে।’ সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে প্রতিযোগিতার উদ্বোধনের সময় দেশের অন্য সকল জেলা স্টেডিয়ামে অংশগ্রহণকারী কিশোর-কিশোরীরা উপস্থিত থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি সবার সাথে যুক্ত থাকবেন। আঞ্চলিক তারকা খেলোয়াড়, সংগঠক ও ক্রীড়াপ্রেমীরা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে ১ লাখ ৬০ হাজার ৭৭৯ জন কিশোর-কিশোরী রেজিস্ট্রেশন করেছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৪৬ জন কিশোর, ৪৪ হাজার ১৩৩ জন কিশোরী। সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ৩২৪ জন সিলেট জেলার। এই প্রতিযোগিতায় যেন কোনো প্রকার স্বজনপ্রীতি না হয়, সেই ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। পাশাপাশি কোনো খেলোয়াড় ইনজুরিতে পড়লে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করবে সরকার। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিভা বাছাইয়ে কোনো স্বজনপ্রীতি থাকবে না। আমি মন্ত্রী হিসেবে নয়, একজন খেলোয়াড় হিসেবে এটা তদারকি করব। আমাদের মেডিক্যাল টিম থাকবে যারা সর্বাত্মক চিকিৎসা প্রদান করবে।’