শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
হবিগঞ্জে ডেপুটি স্পিকার - ১৫-১৭ বছরের ময়লা চাইলেই সরানো সম্ভব না, সময় ও ধৈর্য প্রয়োজন ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিপুল ভোটে বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল বিজয়ী ছাতকে ১০৪ গ্রাম পুলিশের মধ্যে বাইসাইকেল, পোশাক ও সরঞ্জাম বিতরণ ধর্মপাশায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখায় ৫ হাজার, অবৈধ প্রেসক্রিপশনে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ধর্মপাশায় সরকারি মাদ্রাসা যেন ধান রাখার গোডাউন! ওসমানীনগরে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি সিলেট ওসমানী হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত ২ দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী আকবরের ফাঁসি দ্রুত কার্যকরের দাবি রায়হানের মায়ের শ্রীমঙ্গলে সাবানা বেগম হত্যা: ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, দুইজনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা
advertisement
জাতীয়

হাসিনাসহ ১০ শিল্পগোষ্ঠীর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের পাশাপাশি দেশের ১০টি শিল্পগোষ্ঠীর দেশে-বিদেশে থাকা প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ আদালতের মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান ইখতিয়ারউদ্দিন মো. মামুন।

বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বিএফআইইউর বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশকালে তিনি এ তথ্য জানান।

বিএফআইইউ প্রধান বলেন, আদালতের আদেশে জব্দ হওয়া সম্পদের মধ্যে দেশে প্রায় ৫৭ হাজার কোটি টাকা এবং বিদেশে প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

ইখতিয়ারউদ্দিন মো. মামুন বলেন, পাচার হওয়া সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে বছরের শেষ নাগাদ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির তথ্য জানানো সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, “আমরা দল বা মতের ভিত্তিতে কাজ করি না। সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন বা অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের কারও বিরুদ্ধেও যদি এমন অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বিএফআইইউ প্রধান আরও জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে শেখ হাসিনা পরিবার এবং দেশের ১০টি বড় শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, কর ফাঁকি ও অর্থপাচারের অভিযোগ তদন্তে একটি যৌথ তদন্ত দল কাজ করছে।

তদন্তাধীন শিল্পগোষ্ঠীগুলো হলো— এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো গ্রুপ, নাবিল গ্রুপ, সামিট গ্রুপ, ওরিয়ন গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ, ডা. ইকবালের প্রিমিয়ার গ্রুপ, সিকদার গ্রুপ এবং সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদের আরামিট গ্রুপ।

অর্থপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ সম্পদ শনাক্তকরণ এবং বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম জোরদারে বিএফআইইউসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

▐ এই সম্পর্কিত আরো

হবিগঞ্জে ডেপুটি স্পিকার১৫-১৭ বছরের ময়লা চাইলেই সরানো সম্ভব না, সময় ও ধৈর্য প্রয়োজন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিপুল ভোটে বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল বিজয়ী

ছাতকে ১০৪ গ্রাম পুলিশের মধ্যে বাইসাইকেল, পোশাক ও সরঞ্জাম বিতরণ

ধর্মপাশায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখায় ৫ হাজার, অবৈধ প্রেসক্রিপশনে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

ধর্মপাশায় সরকারি মাদ্রাসা যেন ধান রাখার গোডাউন!

ওসমানীনগরে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

সিলেট ওসমানী হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত ২

দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী

আকবরের ফাঁসি দ্রুত কার্যকরের দাবি রায়হানের মায়ের

শ্রীমঙ্গলে সাবানা বেগম হত্যা: ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, দুইজনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা