মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
অপপ্রচার চালিয়ে দেশের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করা যাবে না: নাসিম হোসাইন সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ৯ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ছাতকে জাতীয় শিক্ষক দিবস পালন বিশ্বনাথে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আলকাছ আলীর দাফন সম্পন্ন কুলাউড়ায় ভারপ্রাপ্তের ভারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৪ কলেজসহ ১৫ প্রতিষ্ঠানে নেই স্থায়ী প্রধান যুক্তরাজ্যে নৌকায় প্রবেশ করা প্রায় সব নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৭ নভেম্বর ছুটি ঘোষণা, বাড়ল পূজার ছুটিও সুনামগঞ্জে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে আলোচনা সভা ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ জনের মৃত্যু শেখ হাসিনা ভারতে বসে যেভাবে বিরক্ত করছেন, এমন হলে মোদি ঢাকা আসতেন?: হুমায়ুন কবির
advertisement
আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরানের ঢাল হবে উপসাগরীয় দেশগুলো

মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র অনারব দেশ ইরান। দেশটির সঙ্গে এই অঞ্চলে থাকা অন্য রাষ্ট্রের ভাষা এমনকি সংস্কৃতিতেও রয়েছে বিস্তর ফারাক। তাই আরব অধ্যুষিত অঞ্চলে বরাবরই একা ইরান। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রমাগত বোমা হামলার হুমকির মধ্যে ইরানের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছে উপসাগরীয় দেশগুলো। শুধু তাই নয়, নজিরবিহীনভাবে একজোট হয়ে দিয়েছে ব্যতিক্রমী এক ঘোষণা।

চাপ আর হুমকি দিয়ে ইরানকে বশে আনতে চান ট্রাম্প। কিন্তু নতি স্বীকার করতে রাজি নয় তেহরান। এমতাবস্থায় ইরানে মার্কিন হামলা সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে আরও বেশি সমরাস্ত্র ও সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু উপসাগরীয় দেশগুলো সব বিভেদ ভুলে এবার ইরানের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে।

সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার এবং কুয়েত সকলেই যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়ে দিয়েছে, তাদের আকাশসীমা বা অঞ্চলগুলোকে ইরানের বিরুদ্ধে লঞ্চপ্যাড হিসেবে ব্যবহার করতে দেবে না তারা। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত একটি নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দেশগুলো। সেখানে বলা হয়েছে, উপসাগরীয় কোনো দেশের বিমানঘাঁটি বা আকাশপথ ব্যবহার করতে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র।

উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে পাওয়া এই নিষেধাজ্ঞার কথা মিডল ইস্ট আইকে নিশ্চিত করেছেন একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা। তিনি জানান, নিষেধাজ্ঞার আওতার মধ্যে জ্বালানি ভরা এবং উদ্ধার অভিযানও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মার্কিন এই কর্মকর্তা বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলো যুদ্ধের অংশ হতে চায় না।

পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে আলোচনার টেবিলে তেহরানকে চাপে রাখতে ইয়েমেনে শক্তি প্রদর্শন করছে যুক্তরাষ্ট্র। ঠিক এমন সময় উপসাগরীয় দেশগুলোর কঠোরতা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় ধাক্কা। যদি ইরান বুঝতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের তেল সমৃদ্ধ আরব মিত্ররা হামলার ব্যাপারে একমত নয়, তাহলে তাদের আলোচনার অবস্থান আরও শক্ত হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ট্রাম্প প্রশাসন তেহরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করতে চাইছে। মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযান চালাতে উপসাগরীয় দেশগুলোকে পাশে থাকার অনুরোধ করে আসছে তারা। বিশ্লেষকরা বলছেন, তবে ইরানে হামলার ক্ষেত্রে উপসাগরীয় দেশগুলো ভেটো দিলে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য হাসিল কঠিন হয়ে পড়বে। যদিও ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের ওপর হামলার ব্যাপারে উপসাগরীয় দেশগুলো বেশ সহনশীল তবে ইরানের ক্ষেত্রে এমনটা হয়ত ঘটছে না।

ইয়েমেনে হামলার আগে গেল মার্চে ওয়াশিংটন ডিসিতে আমিরাত ও সৌদি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। ধারণা করা হচ্ছে, সেই বৈঠকেই ইয়েমেনে হামলার অনুমতি আদায় করে মার্কিনিরা। তবে ইরানের বিরুদ্ধে হামলার আগে উপসাগরীয় দেশগুলোর ভিন্ন রূপ দেখছে যুক্তরাষ্ট্র।

▐ এই সম্পর্কিত আরো

অপপ্রচার চালিয়ে দেশের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করা যাবে না: নাসিম হোসাইন

সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ৯ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ

ছাতকে জাতীয় শিক্ষক দিবস পালন

বিশ্বনাথে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আলকাছ আলীর দাফন সম্পন্ন

কুলাউড়ায় ভারপ্রাপ্তের ভারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৪ কলেজসহ ১৫ প্রতিষ্ঠানে নেই স্থায়ী প্রধান

যুক্তরাজ্যে নৌকায় প্রবেশ করা প্রায় সব নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন

৭ নভেম্বর ছুটি ঘোষণা, বাড়ল পূজার ছুটিও

সুনামগঞ্জে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে আলোচনা সভা

ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ জনের মৃত্যু

শেখ হাসিনা ভারতে বসে যেভাবে বিরক্ত করছেন, এমন হলে মোদি ঢাকা আসতেন?: হুমায়ুন কবির