মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
সিলেটে চোরাচালানের গোয়েন্দা তালিকায় ৫১৬ জন জমি ও মাছ নিয়ে বিরোধ, সিলেটে একদিনে তিন হত্যাকাণ্ড সিলেটে রেস্টুরেন্টে যুগলের ছবি তুলে অনলাইনে ধর্মীয় উসকানি, গ্রেফতার ২ জকিগঞ্জে ডাকাত সদস্য গ্রেপ্তার এক হাত বাঁকা, কথা বলতে পারেন না—তবু কারও কাছে হাত পাতেন না সামাদ নবীগঞ্জে টিলা কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়ক অবরোধ বিশ্বনাথ অ্যাসোসিয়েশন পর্তুগালের সহসভাপতি হলেন কবির চারুকলায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ড. মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড পেলেন জিয়াউল শাহজালাল উপশহর ওয়েলফেয়ার সোসাইটির ৪৩ সদস্যের কমিটি গঠন কোম্পানীগঞ্জে পুকুরে মাছ ধরা নিয়ে ‘প্রতিপক্ষের হামলায়’ যুবক নিহত
advertisement
বিনোদন

রাজনীতি ও অভিনয়কে বিদায় বললেন সোহেল রানা

স্বাধীন বাংলাদেশের শুরু থেকেই ঢাকাই সিনেমার সঙ্গে জড়িত সোহেল রানা। বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’-এর প্রযোজক হিসেবে চলচ্চিত্রজগতে প্রবেশ করেন মাসুদ পারভেজ ওরফে সোহেল রানা। সিনেমাটি ১৯৭২ সালে মুক্তি পায়। অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ এর দুই বছর পর ১৯৭৪ সালে কাজী আনোয়ার হোসেনের বিখ্যাত চরিত্র মাসুদ রানা হিসেবে। ‘মাসুদ রানা’ নিমের সিনেমাটা পরিচালনাও করেছিলেন তিনি। এরপর হয়ে ওঠেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক। অভিনয় করেছেন তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি রাজনীতির মাঠেও পাওয়া গেছে তাঁকে। অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিনয়কে বিদায় বলে দিলেন সোহেল রানা। জানালেন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেও আর দেখা যাবে না তাঁকে।

সোহেল রানা বলেন, ‘১৯৭৩ সালে অভিনেতা হিসেবে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলাম। সেই হিসাবে প্রায় ৫২ বছর হয়ে গেছে। চলতে চলতে তো একসময় শেষ হতেই হয়। অভিনয়টা এখনো বুকের মধ্যে লালন করলেও প্রফেশনাল অভিনয়ে আর দেখা যাবে না আমাকে। অ্যাকটিভ রাজনীতি ও প্রফেশনাল অভিনয় থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নতুন করে আর পর্দায় দেখা যাবে না। শরীরটাও আর সাপোর্ট করছে না। তবে এখনো একটা সিনেমা পরিচালনা করার শখ আছে, কিন্তু মনে হচ্ছে বয়সে আর কুলাবে না।’

মূলত বয়সের কারণেই অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সোহেল রানা। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অভিনয় থেকে অবসরের সবচেয়ে বড় কারণ বয়স। এখন আমার ৭৯ বছর। অভিনয় ও রাজনীতি দুটির সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে হলে অনেক অ্যাক্টিভিটি করা প্রয়োজন, প্রচুর পড়াশোনার প্রয়োজন। শারীরিক অবস্থার কারণে এগুলো তো করতে পারছি না। এখন থাকা মানে জোর করে থাকা।’

অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানানোর সময় দেশের চলচ্চিত্রজগৎ নিয়ে নিজের আক্ষেপের কথা জানিয়ে সোহেল রানা বলেন, ‘চলচ্চিত্রজগৎ তো এখন শেষ। এখন দু-চারজন যারা করছে, তাদের সঙ্গে আমাদের প্রজন্মের মিলছে না। যেভাবে আমাদের ব্যবহার করার কথা, তেমন উপযুক্ততা তাদের নেই। বিদেশি সিনেমায় দেখি, আমাদের বয়সের শিল্পীরা দিব্যি কাজ করছেন। তাঁদের জন্য আলাদাভাবে চরিত্র ও গল্প লেখা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের দেশে সে রকম কিছু হচ্ছে না। আমাদের এখানে শিল্পীদের বয়স হয়ে গেলে শুধু বাবা-মা, চাচাদের ক্যারেক্টার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পারফর্ম করার সুযোগ থাকলে এ ধরনের চরিত্রে অভিনয় করা কোনো সমস্যা নয়। কিন্তু তা না হলে তো অভিনয়ের কোনো মানে হয় না। আমি সেই জায়গায় থেকেই চলে যেতে চাই। মানুষ আমাকে ভালোবাসে, সম্মান করে। মানুষের এই ভালোবাসা নিয়ে আমি সরে যেতে চাচ্ছি।’

সোহেল রানাকে সর্বশেষ দেখা গেছে তানভীর হোসেনের ‘মধ্যবিত্ত’ সিনেমায়। যদিও এক দশক ধরে সিনেমায় অনেকটা অনিয়মিত ছিলেন তিনি।

▐ এই সম্পর্কিত আরো

সিলেটে চোরাচালানের গোয়েন্দা তালিকায় ৫১৬ জন

জমি ও মাছ নিয়ে বিরোধ, সিলেটে একদিনে তিন হত্যাকাণ্ড

সিলেটে রেস্টুরেন্টে যুগলের ছবি তুলে অনলাইনে ধর্মীয় উসকানি, গ্রেফতার ২

জকিগঞ্জে ডাকাত সদস্য গ্রেপ্তার

এক হাত বাঁকা, কথা বলতে পারেন না—তবু কারও কাছে হাত পাতেন না সামাদ

নবীগঞ্জে টিলা কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়ক অবরোধ

বিশ্বনাথ অ্যাসোসিয়েশন পর্তুগালের সহসভাপতি হলেন কবির

চারুকলায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ড. মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড পেলেন জিয়াউল

শাহজালাল উপশহর ওয়েলফেয়ার সোসাইটির ৪৩ সদস্যের কমিটি গঠন

কোম্পানীগঞ্জে পুকুরে মাছ ধরা নিয়ে ‘প্রতিপক্ষের হামলায়’ যুবক নিহত