সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. মশিউর রহমান বলেছেন, জাতীয় যেকোনো প্রয়োজন ও সংকটকালে দেশের স্বার্থে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসাথে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারি, তাহলে দেশ সমৃদ্ধির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাবে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে সিলেট নগরীর শাহী ঈদগাহস্থ ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিভাগীয় কার্যালয়ের মিলনায়তনে ‘ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের চেতনা: দেশপ্রেম, জাতীয় ঐক্য ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশ এক গভীর সংকট ও অস্থিরতার মুখোমুখি হয়েছিল। সেই ক্রান্তিলগ্নে দেশপ্রেমিক সিপাহী ও জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছিল। সিপাহী ও জনতার এই ঐতিহাসিক ঐক্যের কারণেই ‘বিপ্লব ও সংহতি’ কথাটি একসূত্রে গাঁথা। সংহতি মানেই হলো মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সংকটকালে ঐক্যবদ্ধ থাকা এবং জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সবার এক থাকা।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ রাখতে সম্মানিত ইমামরা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন। কারণ মসজিদের মিম্বার থেকে দেওয়া আলেম ও ইমামদের দিকনির্দেশনার প্রতি সাধারণ মানুষের গভীর আস্থা ও শ্রদ্ধা রয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ড. সৈয়দ শাহ এমরানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি সিলেটের উপপরিচালক কৃষিবিদ আনোয়ারুল কাদির।
অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশন সিলেটের সহকারী পরিচালক মো. সাহাবউদ্দিনের স্বাগত বক্তব্যের পর আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন সৈয়দ ফখরুল ইসলাম।
এর আগে দিবসটি উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় কার্যালয় প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয় এবং পরে ইফা মিলনায়তনে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।