বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
সিলেটে অবৈধ অস্ত্র ও ইয়াবাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক সিলেটে ভারতীয় মদসহ আটক ২ ছাতকের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও ব্যাংকার ধীরাজ কুমার দাস আর নেই, বিভিন্ন সংগঠনের শোক প্রথম স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে শ্যালিকাকে বিয়ে, এরপর এলাকা ছাড়া সুনামগঞ্জে ফেসবুকে কটূক্তির অভিযোগে সাবেক পুলিশ সদস্য কারাগারে সুনামগঞ্জে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ৪০ বছর ধরে চোখে দেখেন না বিয়ানীবাজারের সবুর মিয়া, তবুও মুখস্থ পুরো গ্রামের পথ ঘোড়াশাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট বন্ধ, বিয়ানীবাজারে লোডশেডিংয়ের শঙ্কা কুলাউড়ায় মাসব্যাপী বাণিজ্য মেলা বন্ধের দাবি ব্যবসায়ীদের, আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
advertisement
জাতীয়

তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফেরাতে রিভিউ শুনানি ১৯ জানুয়ারি


তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করে আনা সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে তিনটি আবেদনের ওপর শুনানির জন্য ১৯ জানুয়ারি দিন রেখেছেন আপিল বিভাগ।  

রোববার (০১ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, শরীফ ভূঁইয়া ও আইনজীবী শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

আগস্টে পট পরিবর্তনের পর ২৫ আগস্ট প্রথমে এ রিভিউ আবেদন করেন সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন। পরে ১৬ অক্টোবর আরেকটি রিভিউ আবেদন করেছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  

সবশেষ ২৩ অক্টোবর আরেকটি রিভিউ আবেদন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। এ তিনটি আবেদনের শুনানি একইসঙ্গে হবে।

সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে এম সলিমউল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন।  

২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগ এ রিট খারিজ করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এ সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সলিমউল্লাহসহ অন্যরা ১৯৯৮ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট রায় দেন।

এ রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালে আপিল করে রিট আবেদনকারীপক্ষ।  

এ আপিল মঞ্জুর করে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন।

ঘোষিত রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে আনা পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ– সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

▐ এই সম্পর্কিত আরো

সিলেটে অবৈধ অস্ত্র ও ইয়াবাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক

সিলেটে ভারতীয় মদসহ আটক ২

ছাতকের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও ব্যাংকার ধীরাজ কুমার দাস আর নেই, বিভিন্ন সংগঠনের শোক

প্রথম স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে শ্যালিকাকে বিয়ে, এরপর এলাকা ছাড়া

সুনামগঞ্জে ফেসবুকে কটূক্তির অভিযোগে সাবেক পুলিশ সদস্য কারাগারে

সুনামগঞ্জে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি

৪০ বছর ধরে চোখে দেখেন না বিয়ানীবাজারের সবুর মিয়া, তবুও মুখস্থ পুরো গ্রামের পথ

ঘোড়াশাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট বন্ধ, বিয়ানীবাজারে লোডশেডিংয়ের শঙ্কা

কুলাউড়ায় মাসব্যাপী বাণিজ্য মেলা বন্ধের দাবি ব্যবসায়ীদের, আন্দোলনের হুঁশিয়ারি