মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
সাংবাদিকতা পেশার সংজ্ঞা নির্ধারণ করা দরকার: তথ্যমন্ত্রী মৌলভীবাজারে আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক প্রতিরোধে পুলিশের উন্মুক্ত মতবিনিময় সভা জৈন্তাপুরে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার জসিমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন তিন বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য দেশ গড়তে নতুন প্রজন্মের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ৪০ বছর বাড়ির উঠোনে শেকলবন্দী শফিকুল, পরিবারের দাবি ঘরে তোলার ‘পরিবেশ’ নেই হাওর ও দুর্গম অঞ্চলে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের দেওয়া সরকারি চাকরি বাতিল করল মাদ্রাজ হাইকোর্ট শিক্ষা ক্যাডারে বদলিতে ৩ কমিটি করে নীতিমালা জামালগঞ্জে উড়ালসড়কের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক
advertisement
জাতীয়

তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফেরাতে রিভিউ শুনানি ১৯ জানুয়ারি


তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করে আনা সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে তিনটি আবেদনের ওপর শুনানির জন্য ১৯ জানুয়ারি দিন রেখেছেন আপিল বিভাগ।  

রোববার (০১ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, শরীফ ভূঁইয়া ও আইনজীবী শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

আগস্টে পট পরিবর্তনের পর ২৫ আগস্ট প্রথমে এ রিভিউ আবেদন করেন সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন। পরে ১৬ অক্টোবর আরেকটি রিভিউ আবেদন করেছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  

সবশেষ ২৩ অক্টোবর আরেকটি রিভিউ আবেদন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। এ তিনটি আবেদনের শুনানি একইসঙ্গে হবে।

সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে এম সলিমউল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন।  

২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগ এ রিট খারিজ করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এ সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সলিমউল্লাহসহ অন্যরা ১৯৯৮ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট রায় দেন।

এ রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালে আপিল করে রিট আবেদনকারীপক্ষ।  

এ আপিল মঞ্জুর করে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন।

ঘোষিত রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে আনা পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ– সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

এই সম্পর্কিত আরো

সাংবাদিকতা পেশার সংজ্ঞা নির্ধারণ করা দরকার: তথ্যমন্ত্রী

মৌলভীবাজারে আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক প্রতিরোধে পুলিশের উন্মুক্ত মতবিনিময় সভা

জৈন্তাপুরে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার জসিমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

তিন বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য

দেশ গড়তে নতুন প্রজন্মের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

৪০ বছর বাড়ির উঠোনে শেকলবন্দী শফিকুল, পরিবারের দাবি ঘরে তোলার ‘পরিবেশ’ নেই

হাওর ও দুর্গম অঞ্চলে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের দেওয়া সরকারি চাকরি বাতিল করল মাদ্রাজ হাইকোর্ট

শিক্ষা ক্যাডারে বদলিতে ৩ কমিটি করে নীতিমালা

জামালগঞ্জে উড়ালসড়কের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক