আজ বিশ্ব সাপ দিবস। প্রতিবছর ১৬ জুলাই পালিত হয় দিবসটি। দিনটির উদ্দেশ্য সাপ সম্পর্কে মানুষের ভুল ধারণা দূর করা। এ প্রাণীটির প্রতি সচেতনতা বাড়ানো এবং সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরা।
প্রকৃতির সবচেয়ে বড় সত্য, প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় সাপের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে বন উজাড়, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক আবাসস্থল ধ্বংস ও খাদ্য সংকটে বিশ্বের বহু প্রজাতির সাপ আজ বিপন্ন। তারা কেবল নিজেদের অস্তিত্বের জন্যই নয়, পুরো বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
এ পর্যন্ত বিশ্বে সাড়ে তিন হাজারের বেশি প্রজাতির সাপের সন্ধান পাওয়া গেছে। এর মধ্যে মাত্র প্রায় ৬০০ প্রজাতি বিষধর। আর মানুষের জীবনের জন্য সত্যিকার অর্থে ঝুঁকিপূর্ণ প্রজাতির সংখ্যা দুই শতাধিক। অর্থাৎ অধিকাংশ সাপই মানুষের জন্য প্রাণঘাতী নয়।
সাপকে অনেকেই আক্রমণাত্মক প্রাণী মনে করেন। বাস্তবে অধিকাংশ সাপই মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে চায়। শিকার ধরতে বা নিজের জীবন হুমকির মুখে পড়লেই তারা আক্রমণ করে। আত্মরক্ষার জন্য কেউ পরিবেশের সঙ্গে মিশে যায়, কেউ শরীর গুটিয়ে নেয়, আবার বিষধর প্রজাতিগুলো প্রয়োজনে বিষ প্রয়োগ করে।
খাদ্যশৃঙ্খলের ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রকৃতিতে সাপের অবদান অপরিসীম। তারা না থাকলে অনেক ক্ষতিকর প্রাণীর সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে, যার প্রভাব পড়বে কৃষি ও পরিবেশে।