শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
যুদ্ধ বন্ধ ও শান্তিপূর্ণ পন্থায় সমাধান খোঁজার আহ্বান জামায়াত আমিরের আইএফইএস প্রতিনিধি দলের মতবিনিময় - গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলের প্রস্তাব অদ্ভুত বিষয়: সাইফুল আলম খান এমপি বানিয়াচংয়ের গুনই গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক নারী নিহত, আহত কয়েকজন দুই জ্বালানি তেল ব্যবসায়ীকে লাখ টাকা জরিমানা সিলেটে ভূমি অফিসে দরজা বন্ধ করে তহশিলদার-অফিস সহায়কের মারামারি, ভিডিও ভাইরাল বিএনপি জনরায়কে ভয় পায়: গোলাম পরওয়ার সুনামগঞ্জে স্মৃতিসৌধে স্লোগান-মিছিল ২৭ আইনজীবীর নামে মামলা, গ্রেফতার ২ শহীদ জিয়া মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য চরিত্র, তা লুকানোর কোনো সুযোগ নেই: প্রধানমন্ত্রী চার দিনের সফরে পাবনা যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি শাহজালালে একমাসে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭ ফ্লাইট বাতিল
advertisement
সিলেট বিভাগ

হাওরে পোনা নিধন, বিলুপ্তির পথে দেশীয় মাছ

হাওর-বিল আর খাল-ছড়া ঘেরা সুনামগঞ্জের গ্রামীণ জনপদ একসময় ছিল দেশীয় মাছের অফুরন্ত ভাণ্ডার। তবে সময়ের পরিক্রমায় নানা অনিয়ম আর অসচেতনতার কারণে সেই মাছ এখন বিলুপ্তির পথে। হাওরের পানিতে জাল ফেলেও আর আগের মতো মাছ মিলছে না। স্থানীয় জেলেদের অভিযোগ, পোনা নিধনের কারণে ছোট মাছের অস্তিত্বই আজ হুমকির মুখে।

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার দেখার হাওর, নাইন্দার হাওর, কালিউরি হাওর ও কাংলার হাওর ঘুরে দেখা গেছে—চ্যাং, ট্যাংরা, পুঁটি, কৈ, শিং, মাগুর, বেলে, গজার, ফলি, টেংরা, খৈলসা, বাইমসহ দেশীয় মাছের পোনা নির্বিচারে ধরা হচ্ছে। অবৈধ কারেন্ট জাল, চায়না রিং জাল ও বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে মাছ ধরা হচ্ছে হরহামেশাই। ফলে আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছ।

নাইন্দার হাওরপারের জেলে সুহেল মিয়া বলেন, ‘আগে বর্ষায় শুধু জাল না, হাত দিয়েও মাছ ধরতে পারতাম। এখন সারা দিন জাল ফেলেও দুই–চারটা চ্যাং-কই ছাড়া কিছুই ধরা পড়ে না।’

দেখার হাওরের জেলে আব্দুল করিম বলেন, ‘আগে মাছ ধরেই সংসার চলত। এখন আগের মতো মাছ পাওয়া যায় না, সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।’

দোয়ারাবাজার উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তুষার কান্তি বর্মন বলেন, ‘স্থানীয়দের অসচেতনতা এবং অবৈধ জাল ব্যবহারের কারণেই দেশীয় ছোট মাছ বিলুপ্তির মুখে। চায়না রিং জাল, কারেন্ট জাল, বেড়জাল ও পানি শুকিয়ে মাছ ধরার প্রবণতা বন্ধ না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে।’

স্থানীয়দের অভিযোগ, হাওরে নির্বিচারে মাছ নিধন, বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ ধরা, বিভিন্ন রাসায়নিকের ব্যবহারে পানি দূষণ এবং মাছের প্রজনন মৌসুমে ধরাধরি বন্ধ না থাকার কারণে পরিস্থিতি দিন দিন সংকটজনক হয়ে উঠছে। আগে প্রতিদিন ১০–২০ প্রজাতির দেশীয় মাছ ধরা পড়ত, এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৫–৬ প্রজাতিতে।

জানা গেছে, মে থেকে জুন মাস পর্যন্ত দেশীয় মাছের প্রজনন মৌসুম। এ সময় মাছ ধরা বন্ধ না থাকায় প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি হাওরের পানিপ্রবাহ ব্যাহতকারী বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, জলাশয় ভরাট, অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারে পানি দূষণসহ নানা কারণে হুমকির মুখে পড়েছে দেশের ঐতিহ্যবাহী মৎস্যসম্পদ।

দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরুপ রতন সিংহ বলেন, ‘দেশীয় মাছ শুধু আমাদের খাদ্যের উৎস নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্য ও জীববৈচিত্র্যের অংশ। মাছ সংরক্ষণে শুধু প্রশাসন নয়, সাধারণ মানুষেরও দায়িত্ব রয়েছে। খুব শিগগিরই মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অবৈধ মাছ ধরা বন্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।’

এই সম্পর্কিত আরো

যুদ্ধ বন্ধ ও শান্তিপূর্ণ পন্থায় সমাধান খোঁজার আহ্বান জামায়াত আমিরের

আইএফইএস প্রতিনিধি দলের মতবিনিময় গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলের প্রস্তাব অদ্ভুত বিষয়: সাইফুল আলম খান এমপি

বানিয়াচংয়ের গুনই গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক নারী নিহত, আহত কয়েকজন

দুই জ্বালানি তেল ব্যবসায়ীকে লাখ টাকা জরিমানা

সিলেটে ভূমি অফিসে দরজা বন্ধ করে তহশিলদার-অফিস সহায়কের মারামারি, ভিডিও ভাইরাল

বিএনপি জনরায়কে ভয় পায়: গোলাম পরওয়ার

সুনামগঞ্জে স্মৃতিসৌধে স্লোগান-মিছিল ২৭ আইনজীবীর নামে মামলা, গ্রেফতার ২

শহীদ জিয়া মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য চরিত্র, তা লুকানোর কোনো সুযোগ নেই: প্রধানমন্ত্রী

চার দিনের সফরে পাবনা যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

শাহজালালে একমাসে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭ ফ্লাইট বাতিল