রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
advertisement
খেলাধুলা

শেষ মুহূর্তের গোলে সুইসদের জয় বঞ্চিত করে কাতারের ইতিহাস

ম্যাচের ঘড়িতে তখন যোগ করা সময়। জয় প্রায় নিশ্চিত ধরে নিয়ে সুইজারল্যান্ডের ডাগআউটে শুরু হয়ে গিয়েছিল উৎসবের প্রস্তুতি। কিন্তু ফুটবলের নাটকীয়তা যেন অপেক্ষা করছিল শেষ বাঁশির আগ মুহূর্তের জন্য। ইনজুরি টাইমে পাওয়া এক গোলে সুইসদের মুখের গ্রাস কেড়ে নিয়ে ১-১ ব্যবধানে ঐতিহাসিক ড্র আদায় করে নেয় এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন কাতার।

শনিবার দিবাগত রাতে (১৪ জুন) ক্যালিফোর্নিয়ার জমিনে এই ড্রয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পয়েন্টের দেখা পেল কাতার। এর আগে বিশ্বকাপের মঞ্চে খেলা প্রতিটি ম্যাচেই পরাজিত হয়েছিল তারা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে সুইজারল্যান্ড। তারই ফল মেলে প্রথমার্ধের ১৬ মিনিটে। ডি-বক্সের ভেতর ফাউলের ঘটনায় ভিএআরের সহায়তায় পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। স্পট কিক থেকে ঠাণ্ডা মাথায় কাতারের গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদাকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান সুইস ফরোয়ার্ড ব্রিল এম্বোলো।

এই গোলের মাধ্যমে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম পেনাল্টি গোলের রেকর্ডও গড়ে সুইজারল্যান্ড।

১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করে কাতার। তবে সুইজারল্যান্ডের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ম্যানুয়েল আকাঞ্জিদের নেতৃত্বে গড়া রক্ষণভাগ বারবার প্রতিহত করে তাদের আক্রমণ। সময় গড়াতে থাকে, কিন্তু গোলের দেখা মিলছিল না।

নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ হওয়ার পরও স্কোরবোর্ডে জ্বলছিল সুইজারল্যান্ডের ১-০ ব্যবধানের লিড। তখনই আসে ম্যাচের সবচেয়ে নাটকীয় মুহূর্ত।

ইনজুরি টাইমে সুইজারল্যান্ডের ডি-বক্সের ভেতরে দ্রুতগতির এক কাউন্টার অ্যাটাক থেকে সুইস রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে দুর্দান্ত এক গোল করেন কাতারের স্ট্রাইকার। সেই গোলেই ম্যাচে সমতা ফেরে।

গ্যালারিতে থাকা হাজারো কাতারি সমর্থক উল্লাসে ফেটে পড়েন। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে ১-১ গোলের সমতা নিয়ে মাঠ ছাড়ে দুই দল।

আর তাতেই বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায়ের জন্ম দেয় কাতার; প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মঞ্চে পয়েন্ট অর্জনের কীর্তি গড়ে।

এই সম্পর্কিত আরো