শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি দোয়ারাবাজারের অমল দাস গ্রেফতার শান্তিগঞ্জে সোনাই মিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার বৃহত্তর জৈন্তা টেলিভিশন সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাচনে নতুন নেতৃত্ব গানে গানে দিরাইয়ে শুরু বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম লোক উৎসব কুলাউড়া বালিকা বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এমপিরা কবে বাসভবন পাবেন, জানালেন চিফ হুইপ যুদ্ধ বন্ধ ও শান্তিপূর্ণ পন্থায় সমাধান খোঁজার আহ্বান জামায়াত আমিরের আইএফইএস প্রতিনিধি দলের মতবিনিময় - গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলের প্রস্তাব অদ্ভুত বিষয়: সাইফুল আলম খান এমপি বানিয়াচংয়ের গুনই গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক নারী নিহত, আহত কয়েকজন দুই জ্বালানি তেল ব্যবসায়ীকে লাখ টাকা জরিমানা
advertisement
সিলেট বিভাগ

কমলগঞ্জে ময়ুর হত্যাকাণ্ড

রহস্য উদঘাটন, আলামতসহ মূল আসামি গ্রেফতার

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় বৃদ্ধ ময়ুর মিয়া (৬০) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত মূল অভিযুক্ত রিপন দেবনাথকে (৪০) গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যায় ব্যবহৃত চাকু ও নিহতের মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।


জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের বড়চেগ গ্রামের বাসিন্দা ময়ুর মিয়ার সঙ্গে একই এলাকার রিপন দেবনাথের সুদের টাকা লেনদেন নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল।

রিপনের দাবি, তিনি সুদের টাকা পরিশোধ করলেও ময়ুর মিয়া চুক্তিনামা বা স্ট্যাম্প ফেরত দিচ্ছিলেন না, যা নিয়ে তার মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ১১ জুলাই রাতে দেওড়াছড়া চা বাগান থেকে একসঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে স্ট্যাম্প ফেরতের বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে রিপন দেবনাথ ময়ুর মিয়াকে বাবনবিল ছড়ার পাশে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে প্রথমে কিল-ঘুষি মারেন এবং পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। মৃত্যু নিশ্চিত করতে তিনি ধারালো চাকু দিয়ে ময়ুর মিয়ার শরীরে একাধিকবার আঘাত করে পালিয়ে যান।

হত্যাকাণ্ডের পর প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে রিপন তার ব্যবহৃত চাকুটি পার্শ্ববর্তী এক প্রতিবেশীর বাড়ির শৌচাগারে ফেলে দেন এবং নিহত ময়ুর মিয়ার মোবাইল ফোন ও সিমকার্ড ভেঙে হামিদিয়া চা বাগানে ফেলে রাখেন।

এর আগে, ১১ জুলাই রাতে বাবনবিল ছড়া থেকে স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ ময়ুর মিয়ার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। পরদিন নিহতের মেয়ে হালিমা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কমলগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) রাতে মুন্সীবাজার এলাকা থেকে রিপন দেবনাথকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রিপন হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হামিদিয়া চা বাগান এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডের বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়।

এই সম্পর্কিত আরো

গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি দোয়ারাবাজারের অমল দাস গ্রেফতার

শান্তিগঞ্জে সোনাই মিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

বৃহত্তর জৈন্তা টেলিভিশন সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাচনে নতুন নেতৃত্ব

গানে গানে দিরাইয়ে শুরু বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম লোক উৎসব

কুলাউড়া বালিকা বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

এমপিরা কবে বাসভবন পাবেন, জানালেন চিফ হুইপ

যুদ্ধ বন্ধ ও শান্তিপূর্ণ পন্থায় সমাধান খোঁজার আহ্বান জামায়াত আমিরের

আইএফইএস প্রতিনিধি দলের মতবিনিময় গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলের প্রস্তাব অদ্ভুত বিষয়: সাইফুল আলম খান এমপি

বানিয়াচংয়ের গুনই গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক নারী নিহত, আহত কয়েকজন

দুই জ্বালানি তেল ব্যবসায়ীকে লাখ টাকা জরিমানা