কবিরগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রনালয়, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্ঠা ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুম কবির বলেছেন, বিশ্বনাথ-ওসমানীনগরে কোন চাঁদাবাজি চলবে না। বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর আমার কাছে কোন পার্থক্য নেই। ওসমানীনগরে দুটি স্কুল হলে বিশ্বনাথে হবে ৩টি স্কুল। টিক তেমনি ওসমানীনগরে ২টি রাস্তা হলে বিশ্বনাথে হবে ৩টি রাস্তা।
তিনি বলেন, আজ ইলিয়াস আলী ও সুহেল আহমদ চৌধুরী নেই মনে করবেন না আপনারা এতিম হয়ে গেছেন। এখানে আমি আছি। আপনারা আমার সাথে থাকলে আমারও কোনো ভয় নাই।
তিনি আজ (১৩ মার্চ) শুক্রবার বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক দুই বারের চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মরহুম মোহাম্মদ সুহেল আহমদ চৌধুরীর রুহের মাগফেরাত কামনায় তাঁর পরিবারের উদ্যোগে আয়োজিত পূর্ব কারিকোনা ফুটবল মাঠে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে হুমায়ুন কবির আরো বলেন, মরহুম সুহেল আহমদ চৌধুরী ছিলেন, আপনাদের আপন মানুষ। এলাকার সুখে-দু:খে মানুষের পাশে থাকতেন বলে তাকে তরুণ বয়সে বিপুল ভোটে দু’বার উপজেলা চেয়ারম্যান হন। এলাকার উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় সুহেল আহমদ চৌধুরীর অবদান মানুষ আজীবন মনে রাখবে।
লামাকাজি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন ধলা মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট ৬ আসনের সংসদ সদস্য ও সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিফতা সিদ্দিকী, ওসমানীনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবদাল মিয়া, বিশ্বনাথ উপজেলা জামায়াতের আমির নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকী, সিলেট জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমদ, মরহুম সুহেল আহমদ চৌধুরীর ছোট ভাই সুমন পারভেজ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফিজ সাইদুল ইসলাম ও মরহুমের জীবন বৃত্তান্ত পাঠ করেন বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম জুবায়ের এবং মোনাজাত পরিচালনা করেন জামেয়া মোহাম্মদীয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার নায়েবে মুহতামিম মাওলানা ফয়জুর রহমান। অলংকারি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম রুহেলের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মরহুমের বড় ভাই যুক্তরাজ্য প্রবাসী মুক্তার আহমদ চৌধুরী, উপ-সচিব হানুরুন রশীদ, সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ওসমানীনগর সার্কেল। মনছুরা বেগম, বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে কুলছুম রুবি, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) লুৎফুর রহমান, বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ গাজী মাহবুবুর রহমান, ওসমানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মুর্শেদ আহমদ, বৃটিশ কাউন্সিলর নেছার আলী, এলাকার বিশিষ্ঠ মুরব্বী গোলাব খান, হাজী সিরাজ আলী, যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা আব্দুর রব মল্লিক, আব্দুস ছত্তার, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ফখরুল ইসলাম ফারুক, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মুজিবুর রহমান, ওসমানীনগর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি সৈয়দ এনামুল হক পীর, ওসমানীনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান গয়াছ মিয়া, জেলা খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ, বিশ্বনাথ পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী মো. আব্দুল হাই, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, মো. শাহজাহান, নানু মিয়া, শিহাব আহমদ, আলাউদ্দিন, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি জাহেদুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের জয়েন্ট সেক্রেটারি মাষ্ঠার বাবুল মিয়া, বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দয়াল উদ্দিন তালুকদার, দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এমরান রব্বানী, আব্বাস আলী, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, কাজী মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন, তজম্মুল আলী রাজু, সাধারণ সম্পাদক শিপন আহমদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আশিক আলী, কামাল মুন্না, বিশ্বনাথ সাংবাদিক ইউনিয়নের আহবায়ক মশিউর রহমান, সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম বেগ, বিশ^নাথ উপজেলা বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক তারেক আহমদ খজির, বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন, এটিএম নূর উদ্দিন, খছরুজ্জামান, সাজিদুর রহমান সুহেল, আব্দুর রব সরকার, বিশ^নাথ উপজেলা খেলাফত মজলিসের সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন, ইউপি সদস্য আঙ্গুর আলী, রাহিন আহমদ, যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম, দিলোয়ার হোসেন সজিব নিজাম উদ্দিন, সাজ্জাদ আলী শিপলু, আব্দুল আহাদ।এছাড়া জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষও উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় ফুলকুঁড়ি সংঘ ও পূর্ব কারিকোনা সমাজ কল্যাণ সংস্থার প্রায় দেড় শতাধিক সদস্যদের ব্যবস্থাপনায় ইফতার মাহফিলে প্রায় ৫ হাজার মানুষ অংশ নেন।