সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা, সিলেট-এ সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ফসলি জমি ধ্বংস ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে ৮ জনকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। তবে অবৈধ বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত মূল হোতারা অভিযানের আগেই পালিয়ে গেছে।
বুধবার (১১ মার্চ) বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত উপজেলা সদর এলাকার বড়গাঙ নদীর জাঙ্গালঘাট, রুপচেং গরুঘাট ও সারী-২ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা। এছাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজ পলি রানী দেব, জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানের প্রথম ধাপে জাঙ্গালঘাট এলাকায় ৪ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ছিলেন— ইসমাইল হোসেন (২০), তাবাসসুম আহমেদ (১৭), খাইরুল ইসলাম (২৪) ও মামুনুর রশীদ (১৮)। পরবর্তীতে রুপচেং এলাকায় প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে মূল হোতারা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে থাকা ১০টি বারকি নৌকা করাত দিয়ে কেটে ধ্বংস করা হয়।
সবশেষে সারী-২ এলাকায় আরও ৪ জনকে আটক করা হয়। তারা হলেন— জামাল উদ্দিন (২৫), আসাদ আহমেদ (২৮), সেবুল আহমেদ (৩৫) এবং আবদুল করিম (৪৫)।
জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা জানান, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ফসলি জমি ও নদীর তীরবর্তী বসতভিটাকে ঝুঁকিতে ফেলার দায়ে আটককৃতদের দুইটি স্পট থেকে সর্বনিম্ন ৩ দিন থেকে সর্বোচ্চ ৩ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরকে এজাহারের মাধ্যমে উপযুক্ত আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পরিবেশ ও ফসলি জমি রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।