বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের ২৫তম বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শিক্ষার উন্নয়নে প্রবাসীদের অবদান জাতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে বলে মন্তব্য করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী।
শনিবার বিশ্বনাথ দারুল উলুম ইসলামিয়া (কামিল) মাদরাসা মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মা-বাবাই শিশুদের প্রথম শিক্ষক। তাই শৈশবকাল থেকেই সন্তানের শিক্ষার প্রতি অভিভাবকদের অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, প্রবাসী অধ্যুষিত বিশ্বনাথের মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীরা সৌভাগ্যবান—কারণ তাদের জন্য ৩২ বছর ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে। শিক্ষার উন্নয়নে প্রবাসীদের এই অবদান জাতি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করবে।
১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ট্রাস্ট চলতি বছর ১০টি ক্যাটাগরিতে মোট ৬৬৬ জন শিক্ষার্থীকে ৪০ লাখ ৩৬ হাজার টাকার নগদ বৃত্তি প্রদান করে।
বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের চেয়ারপার্সন মো. মাফিজ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক জালালাবাদ সম্পাদক মুকতাবিস-উন-নূর। তিনি বলেন, প্রতি বছর গণিত ও ইংরেজিতে অনেক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়। বোর্ড পরীক্ষার আগে বিশেষ ক্লাসের উদ্যোগ নেওয়া হলে শিক্ষার্থীদের ফলাফলে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
ট্রাস্টের জেনারেল সেক্রেটারি গোলজার খান, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আব্দুর রহিম রঞ্জু ও প্রেস অ্যান্ড পাবলিসিটি সেক্রেটারি শরিফুল ইসলামের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফিজ মাওলানা মো. খায়রুল ইসলাম। প্রয়াত সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন ট্রাস্টি মাওলানা আশরাফুর রহমান এবং ঘোষণাপত্র পাঠ করেন ভাইস-চেয়ারপার্সন মোহাম্মদ মিছবাহ উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. জহিরুল ইসলাম অচিরপুরীসহ ট্রাস্টের নির্বাহী সদস্য, ট্রাস্টি, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সমাজকর্মী ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা বক্তব্য রাখেন।
এ সময় ট্রাস্টের বিপুলসংখ্যক প্রবাসী সদস্য, স্থানীয় দায়িত্বশীল, শিক্ষার্থী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।