বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) দ্বিতীয় জয়ের দেখা পেয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দিনের প্রথম ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিটালসকে ১০ উইকেটে উড়িয়ে দিয়েছে বন্দর নগরীর দলটি। ম্যাচে ৩৬ বলে ৯ চার ও ২ ছক্কায় ৬০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন চট্টগ্রামের ইংলিশ ক্রিকেটার অ্যাডাম রসিংটন।
এই ম্যাচে ব্যাটিং ছাড়াও গ্লাভস হাতেও চমক দেখিয়েছেন রসিংটন। উসমান খান, শামীম পাটোয়ারী, সাব্বির রহমান, ইমাদ ওয়াসিম- ঢাকা ক্যাপিটালসের এই চার ব্যাটারকে স্টাম্পিং করে বিপিএল ইতিহাসে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ স্টাম্পিংয়ের কীর্তি গড়েছেন তিনি।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ চার স্টাম্পিংয়ের কীর্তি গড়েছেন সাতজন উইকেটরক্ষক। তবে রসিংটন ছাড়া কেউই ফিফটি করতে পারেননি।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এক ইনিংসে চার স্টাম্পিংয়ের সাতটির মধ্যে কেবল দুটি হয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। এই দুটি আবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। লর্ডসে ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে পাকিস্তানের উইকেটরক্ষক ব্যাপার কামরান আকমল চার স্টাম্পিং করেছিলেন। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষেই হয়েছিল এমন রেকর্ড স্টাম্পিং। মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে চার স্টাম্পিং করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দীনেশ রামদিন।
রসিংটনের আগে টনি ফ্রস্ট, দিনেশ কার্তিক, কামরান আকমল, ধীমান ঘোষ, লাহিরু দাওয়াতাগে, দিনেশ রামদিন—এই ছয় উইকেটরক্ষক ইনিংসে চার স্টাম্পিংয়ের কীর্তি গড়েছিলেন।
রসিংটনসহ পাঁচ ক্রিকেটারের ইনিংসে চার স্টাম্পিংয়ের ঘটনাগুলো তাদের ঘরোয়া ক্রিকেটেই হয়েছে। রানের হিসেব করলে এই তালিকায় দুইয়ে কামরান আকমল। ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে চার স্টাম্পিং করা কামরান ৩০ বলে ৪১ রান করে ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছিলেন।
ডিসমিসালের হিসেবে সাত উইকেটরক্ষক ব্যাটারের মধ্যে দিনেশ কার্তিক অবশ্য একটু আলাদা। তিনি আন্তঃপ্রদেশ টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে হরিয়ানার বিপক্ষে চার স্টাম্পিংয়ের পাশাপাশি একটা ক্যাচও ধরেছিলেন।