ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক সাইদুল ইসলাম বলেছেন- ৭০ শতাংশ জনতার গণভোটের রায়কে ৫২ শতাংশ ম্যান্ডেট পাওয়া দল যদি গায়ের জোরে অস্বীকার করতে চায়, তবে আবার জুলাই নেমে আসবে। জনতা সংসদ ভবনে অবস্থান নেবে, কাউকে পালানোর সুযোগ দেওয়া হবে না।
তিনি সরকারের প্রতি দ্রুত, সময় থাকতে জনতার গণরায় নিয়ে টালবাহানা না করে, যথাযথ সময়ে দাঁড়ি-কমাসহ পূর্ণাঙ্গ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে আহবান জানান।
তিনি বুধবার বিকেলে রাজধানীতে ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখা আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। ‘গণভোটের আলোকে জনরায় বাস্তবায়নে সরকারের গড়িমসির প্রতিবাদে’ এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেট থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে বিক্ষোভ শেষ হয়।
ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারি ইমদাদুল হক মিয়াজীর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক আমিরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, সংস্কার কমিশনে বিএনপি কথায় কথায় বলতো—তাদের ৩১ দফা সংস্কারের পক্ষে এ আছে, সে আছে; তাদের নেতা এ পরিকল্পনা নিয়েছেন, সে পরিকল্পনা নিয়েছেন। কিন্তু ক্ষমতায় না আসতেই বিএনপি তাদের ৩১ দফার প্রথম দফা সংস্কার প্রস্তাবনাকেই অস্বীকার করে; ফলে তারা জাতির সামনে মুনাফিক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে আসিফ আব্দুল্লাহ বলেন, জুলাই শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে এসে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন; জুলাই শহীদরা যদি জীবন ও রক্ত না দিতেন, তবে তিনি আজ লন্ডনেই থাকতেন।
তিনি আরও বলেন, ৭০% জনতার গণভোটে প্রদত্ত জনরায় অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করা হলে, আবার জুলাই নেমে আসবে; শহীদ পরিবার, গাজী, ছাত্র-জনতা এবং সমগ্র দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে তুমুল আন্দোলনের মাধ্যমে এ সরকারের পতন নিশ্চিত করা হবে।
মিছিলে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগর পূর্ব শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক ফারাবি নিয়াজ, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক দাউদ খান; প্রমুখসহ মহানগর সেক্রেটারিয়েটের সদস্যবৃন্দ। এছাড়া বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।