মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
বাংলাদেশি সব সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করল আইসিসি সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে শাহজালালের (র.) মাজার থেকে অজ্ঞাতপরিচয় লাশ উদ্ধার কুলাউড়ায় আসছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান, ব্যাপক প্রস্তুতি সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড ডিবির অভিযান - তারাপুর চা বাগান থেকে পিস্তল ও গুলি উদ্ধার ফুটবল মাঠে বন্দুক হামলা, নিহত ১১ চুনারুঘাটে দিনব্যাপী এ.কে. ফাউন্ডেশনের বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান নির্বাচিত হলে সিলেটকে দুর্নীতিমুক্ত করতে চান ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাহমুদুল হাসান ধানের শীষের বিজয়ের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ আবার ঘুরে দাঁড়াবে: তাহসিনা রুশদীর লুনা
advertisement
জাতীয়

১৬ বছর পর কারামুক্ত বিডিআরের ১৬৮ সদস্য

দীর্ঘ ১৬ বছর পর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন বিস্ফোরক মামলায় জামিন পাওয়া বিডিআর সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিভিন্ন কারাগার মুক্তি তারা।

এদিন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মোট ৪১, কাশিমপুর-১ থেকে ২৬, কাশিমপুর-২ থেকে ৮৯ জন, কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি থেকে ১২ জনসহ মোট ১৬৮ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়।


এ বিষয়ে অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল গণমাধ্যমকে বলেন, ১৬৮ জনের তালিকা হাতে পেয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। এরপরেই বিডিআর সদস্যদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে গত ২১ জানুয়ারি ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়ার আদালত জামিনপ্রাপ্ত ১৭৮ জন আসামির নাম প্রকাশ করেন। এর মধ্যে ১৬৮ জনের তালিকা হাতে পেয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। সে ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় ৮৫০ জনের বিচার শেষ হয় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর। তাতে ১৫২ জনের ফাঁসি, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। খালাস পান ২৭৮ জন।

২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর সেই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায়ও হয়ে যায় হাইকোর্টে। তাতে ১৩৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয় ১৮৫ জনকে। আরও ২২৮ জনকে দেওয়া হয় বিভিন্ন মেয়াদে সাজা। খালাস পান ২৮৩ জন। হাইকোর্টের রায়ের আগে ১৫ জনসহ সব মিলিয়ে ৫৪ জন আসামি মারা গেছেন। হত্যা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে ২২৬ জন আসামি আপিল ও লিভ টু আপিল করেছেন।

অন্যদিকে, হাইকোর্টে ৮৩ জন আসামির খালাস এবং সাজা কমানোর রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এসব আপিল ও লিভ টু আপিল এখন শুনানির অপেক্ষায়। ২০১০ সালে বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৮৩৪ আসামির বিরুদ্ধে বিচারকাজও শুরু হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার তদন্ত পুনরায় শুরুর দাবি উঠছে। গত ১৯ ডিসেম্বর অভিযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যান শহীদ পরিবারের সদস্যরা। এই হত্যাকাণ্ড পুনঃতদন্তের জন্য গত ২৪ ডিসেম্বর আ ল ম ফজলুর রহমানকে প্রধান করে কমিশন গঠন করে প্রতিবেদন দিতে ৯০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে সরকার।

এই সম্পর্কিত আরো

বাংলাদেশি সব সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করল আইসিসি

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে

শাহজালালের (র.) মাজার থেকে অজ্ঞাতপরিচয় লাশ উদ্ধার

কুলাউড়ায় আসছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান, ব্যাপক প্রস্তুতি

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

ডিবির অভিযান তারাপুর চা বাগান থেকে পিস্তল ও গুলি উদ্ধার

ফুটবল মাঠে বন্দুক হামলা, নিহত ১১

চুনারুঘাটে দিনব্যাপী এ.কে. ফাউন্ডেশনের বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান

নির্বাচিত হলে সিলেটকে দুর্নীতিমুক্ত করতে চান ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাহমুদুল হাসান

ধানের শীষের বিজয়ের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ আবার ঘুরে দাঁড়াবে: তাহসিনা রুশদীর লুনা