শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
প্রেস ব্রিফিংয়ে হামিদুর রহমান আযাদ - কালকের মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে আন্দোলনে নামবে ১১দলীয় ঐক্য নগদে রেমিটেন্স নিয়ে স্বর্ণের হার জিতলেন ফরিদপুরের বন্যা খাতুন চলে গেলেন অ্যাথলেটিকসের মিমো, শোকে ক্রীড়াঙ্গন ইরান যুদ্ধের মধ্যেই ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার খার্গ দ্বীপে হামলার পর আমিরাতের মার্কিন ঘাঁটি ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’: ইরান আরো ৫ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ এবার গলায় রামদা ঠেকিয়ে দুই লক্ষ টাকা ছিনতাই গোয়াইনঘাটে পোল্ট্রি ফার্মে কিশোরকে গলা কেটে হত্যা: আটক ২ জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ বিপ্লবী হাদিকে হারিয়ে লেখক হাদির বইয়ের চাহিদা তুঙ্গে
advertisement
জাতীয়

গণভোট নয়, শুধু সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে ইইউ মিশন

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইয়ার ইয়াবস জানিয়েছেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় বাংলা‌দে‌শের সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে ইইউ পর্যবেক্ষক মিশন। গণভোট পর্যবেক্ষণ করবে না।


রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর একটি হো‌টে‌লে এক সংবাদ সম্মেলন এ কথা জানান ইইউর নির্বাচন পর্যবেক্ষণ প্রধান।

ইয়ার ইয়াবস বলেন, পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে দুই মাসের মতো সময় বাংলাদেশে কাজ করবে ইইউ পর্যবেক্ষক মিশন। শুধু সংসদ নির্বাচনই পর্যবেক্ষণ করবে ইইউ পর্যবেক্ষক মিশন। গণভোট পর্যবেক্ষণ করবে না ইইউ মিশন।


অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নি‌য়ে এক প্রশ্নের জবা‌বে ইইউর নির্বাচন পর্যবেক্ষণ প্রধান ব‌লেন, সুষ্ঠু, অবাধ, গ্রহণযোগ্য ও সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে নির্বাচন প্রত্যাশা করে ইইউ। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলতে পুরুষ, নারী, সংখ্যালঘু, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসহ সামাজিক সব গোষ্ঠীর অংশগ্রহণ। কত শতাংশ ভোটার নির্বাচনে অংশ নিলো সেটি একটি বড়ো ব্যাপার।

নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে ইয়ার ইয়াবস বলেন, পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস আসন্ন নির্বাচনে সবচেয়ে বড় বড়ো চ্যালেঞ্জ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম ও মত প্রকাশের স্বাধীনতায় ভারসাম্য আনতে হবে।


নির্বাচনের প্রত্যেক ধাপে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তি‌নি ব‌লেন, ২০০৮ সালের পর এই প্রথম বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি পূর্ণাঙ্গ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন পাঠানো হলো। এটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও প্রক্রিয়ার প্রতি ইইউর দৃঢ় ও নীতিগত অঙ্গীকারেরই প্রমাণ। আমাদের কার্যক্রম শুরু হয়েছে ডিসেম্বরের শেষ দিকে, যেখানে একটি ১০ সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল কাজ শুরু করে।

ইয়ার ইয়াবস জানান, আজ ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক ঢাকায় পৌঁছাবেন। প্রয়োজনীয় ব্রিফিং শেষে আগামী শনিবার তারা বাংলাদেশের সব বিভাগে মোতায়েন হবেন এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি ও প্রচার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায়। নির্বাচনের ঠিক আগে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হবেন আরও ৯০ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক, পাশাপাশি ইইউ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধি এবং কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ডের পর্যবেক্ষকরাতো থাক‌ছেই।

তি‌নি জানান, ভোটের কাছাকাছি সময়ে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একটি প্রতিনিধিদলও মিশনকে শক্তিশালী করবে। পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় এই মিশনে থাকবে ইইউর ২৭টি সদস্য রাষ্ট্র ও অংশীদার দেশ থেকে আসা প্রায় ২০০ পর্যবেক্ষক।

মিশনের উদ্দেশ্য নি‌য়ে ইয়ার ইয়াবস ব‌লেন, নির্বাচন কতটা জাতীয় আইন এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তা মূল্যায়ন করা। আমরা পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করব আইনি কাঠামো, নির্বাচন পরিচালনা ব্যবস্থা, নির্বাচনী পরিবেশ এবং প্রার্থীদের আচরণ। পাশাপাশি ভোটার তালিকার প্রতি আস্থা, নির্বাচনী বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক ও নাগরিক অংশগ্রহণের পরিসর এবং পুরো প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র মূল্যায়ন করা হবে। গণমাধ্যমের ভূমিকা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনসংক্রান্ত আলোচনা আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করব। 

তি‌নি ব‌লেন, ১২ ফেব্রুয়ারি আমাদের পর্যবেক্ষকরা ভোটকেন্দ্র খোলার সময় থেকে শুরু করে ভোট গণনা ও ফল সংকলন শেষ হওয়া পর্যন্ত পুরো নির্বাচনের দিনের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হ‌বে। আমরা আশা করি, আসন্ন নির্বাচন হবে স্বচ্ছ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শান্তিপূর্ণ। 

ইয়ার ইয়াবস জানান, ১৪ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ নির্বাচনের দুই দিন পর ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে আমরা আমাদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন উপস্থাপন করব। পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত মিশন বাংলাদেশে থাকবে। প্রায় দুই মাস পর আমি আবার বাংলাদেশে ফিরে একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করব, যেখানে ভবিষ্যৎ নির্বাচনের জন্য সুপারিশও থাকবে।

তি‌নি ব‌লেন, এই নির্বাচন ভোটের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সব ভোটার ও প্রার্থীর জন্যই জরুরি হলো—নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা পুনরুদ্ধার করা। 

এই সম্পর্কিত আরো

প্রেস ব্রিফিংয়ে হামিদুর রহমান আযাদ কালকের মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে আন্দোলনে নামবে ১১দলীয় ঐক্য

নগদে রেমিটেন্স নিয়ে স্বর্ণের হার জিতলেন ফরিদপুরের বন্যা খাতুন

চলে গেলেন অ্যাথলেটিকসের মিমো, শোকে ক্রীড়াঙ্গন

ইরান যুদ্ধের মধ্যেই ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার

খার্গ দ্বীপে হামলার পর আমিরাতের মার্কিন ঘাঁটি ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’: ইরান

আরো ৫ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ

এবার গলায় রামদা ঠেকিয়ে দুই লক্ষ টাকা ছিনতাই

গোয়াইনঘাটে পোল্ট্রি ফার্মে কিশোরকে গলা কেটে হত্যা: আটক ২

জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ

বিপ্লবী হাদিকে হারিয়ে লেখক হাদির বইয়ের চাহিদা তুঙ্গে