এলপিজি অটোগ্যাসের তীব্র সংকটের কারণে দেশের প্রায় সব ফিলিং স্টেশন কার্যত বন্ধ। অটোগ্যাস না পেয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ এলপিজি অটোগ্যাস স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি প্রকৌশলী সিরাজুল মাওলা।
শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এসময় তিনি আরও বলেন, দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৪০ হাজার টন এলপিজির চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে ১০ শতাংশ অর্থাৎ ১৫ হাজার টন এলপিজি অটোগ্যাস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আমরা এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের কাছে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতের দাবি জানাই। সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে অটোগ্যাস শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে।
তিনি বলেন, সারাদেশে প্রায় ১০০০ এলপিজি অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশন রয়েছে। দীর্ঘদিন স্টেশন বন্ধ থাকায় কর্মচারীদের বেতন, ব্যাংক ঋণের কিস্তি ও পরিচালন ব্যয় বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অনেক উদ্যোক্তা দেউলিয়া হওয়ার দারপ্রান্তে।
অবিলম্বে এলপিজির আমদানি স্বাভাবিক করা, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ, চাহিদা অনুযায়ী অটোগ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা, ভবিষ্যৎতে যেন এ রকম সংকট না হয় তার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে।