মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
advertisement
প্রবাস

অস্ট্রেলিয়ায় স্বাধীনতা দিবসে বিএনপির নীরবতা: কমিউনিটিতে ক্ষোভ ও সমালোচনা

বাংলাদেশের ৫৫তম মহান স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ উপলক্ষে অস্ট্রেলিয়ায় বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করলেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর অস্ট্রেলিয়া শাখা ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর দৃশ্যমান কোনো আয়োজন না থাকায় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।

জানা গেছে, অস্ট্রেলিয়ায় আওয়ামী লীগের শাখা সংগঠন যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করে। বিপরীতে বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো পৃথক কর্মসূচি না থাকায় দলটির সমর্থক ও সাধারণ প্রবাসীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, স্বাধীনতার মতো জাতীয় দিবসে একটি প্রধান রাজনৈতিক দলের এমন নীরবতা কতটা গ্রহণযোগ্য।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। সেই সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করেন বলে উল্লেখ করা হয় এবং পরবর্তীতে তার নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির একটি ধারা গড়ে ওঠে। সেই প্রেক্ষাপটে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতার আদর্শ ধারণ করা দলের বিদেশি শাখার এমন নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো আয়োজন না থাকলেও গত বৃহস্পতিবার সিডনির লাকেম্বা চার্চে আওয়ামী লীগের অস্ট্রেলিয়া শাখা আলোচনা সভা ও কর্মসূচির আয়োজন করে।

অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নেতা-কর্মী অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও সংগ্রামের পর দল রাষ্ট্রক্ষমতায় এলেও প্রবাসে নেতৃত্বে থাকা অনেকেই এখন ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক যোগাযোগ রক্ষায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ফলে সংগঠনের কার্যক্রমে আগের মতো সক্রিয়তা নেই। এর প্রভাব পড়ছে জাতীয় দিবস পালনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেও।

বাংলাদেশি কমিউনিটির এক নেতা বলেন, আগে অস্ট্রেলিয়ায় বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম ছিল দৃশ্যমান। কিন্তু বর্তমানে শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে উদাসীনতা দেখা যাচ্ছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণকারী দলের জন্য স্বাধীনতা দিবস উপেক্ষা করা দুঃখজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তবে এ বিষয়ে অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হায়দার আলী বলেন, “২৬শে মার্চ সিডনি কনসুলেট আয়োজিত স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে আমরা অংশ নিয়েছি। তাই আলাদাভাবে কোনো কর্মসূচি নেওয়া হয়নি।” তিনি আরও জানান, গত ৮ মার্চ পবিত্র রমজান উপলক্ষে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এই সম্পর্কিত আরো