মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
advertisement
আন্তর্জাতিক

ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ করায় যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থী আটক

ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ করায় নিউইয়র্কের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে আটক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তারা। আটককৃত ওই শিক্ষার্থীর নাম মাহমুদ খলিল।

তিনি গত বছর কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানহাটনের পশ্চিম দিকে অবস্থিত ক্যাম্পাসের প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন। এ কারণেই তাকে আটক করেছেন কর্মকর্তারা। খলিলের আইনজীবী অ্যামি গ্রিয়ার জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাস থেকে তাকে আটক করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছেন ইমিগ্রেশন এবং কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) সদস্যরা। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। 

এতে বলা হয়, গত বছর গাজা যুদ্ধে ইসরাইলের প্রতি মার্কিন সমর্থনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে শিক্ষার্থীদের যে বিক্ষোভ হয় সেখানে বেশ শক্ত ভূমিকা নিয়েছিল কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

এ বিষয়ে জানতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও পররাষ্ট্র দপ্তরে যোগাযোগ করেছে বিবিসি। পরে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তার এক্সে খলিলের আটকের বিষয়ে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি বলেছেন, আমেরিকায় হামাস সমর্থকদের ভিসা অথবা গ্রিন কার্ড বাতিল করা হবে যাতে তাদের নির্বাসনে পাঠানো যায়। 

ইতিমধ্যেই খলিলের স্টুডেন্ট ভিসা বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী অ্যামি। তবে তিনি নিশ্চিত করেছেন খলিল যুক্তরাষ্ট্রের একজন স্থায়ী বাসিন্দা। তার বৈধ নথিপত্র রয়েছে। তিনি গ্রিন কার্ডও পেয়েছেন। মার্কিন এক নারীকে বিয়ে করেছেন খলিল। বর্তমানে তাকে নিউ জার্সির এলিজাবেথে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

খলিলের অবস্থান সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি তার মার্কিন স্ত্রী। তিনি বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা। তবে আইসিই এর ওয়েবসাইটে অনলাইন বন্দী লোকেটর অনুসন্ধানের ইঙ্গিত মতে মাহমুদ খলিল বর্তমানে নিউ জার্সির এলিজাবেথ কন্ট্রাক্ট ডিটেনশন ফ্যাসিলিটিতে রয়েছেন।

মাহমুদ খলিলকে আটকের বিষয়টি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের একটি প্রতিশ্রুতি পূরণের প্রাথমিক প্রচেষ্টা বলে ধারণা করা হচ্ছে। রিপাবলিকান ট্রাম্প গত ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয় দফায় হোয়াইট হাউসে ফেরেন। ট্রাম্প অঙ্গীকার করেছিলেন, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে ফিলিস্তিনপন্থী প্রতিবাদী বিক্ষোভে জড়িত কিছু বিদেশি শিক্ষার্থীকে তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে দেবেন। ওই আন্দোলনকে তিনি ‘ইহুদিবিদ্বেষী’ বলে অভিহিত করেন।

এই সম্পর্কিত আরো