যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা কমাতে মধ্যস্থতার ভূমিকা নিয়েছে তুরস্ক, মিসর এবং পাকিস্তান। এক মার্কিন সূত্র জানিয়েছে, গত দুই দিন ধরে এই তিন দেশ দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করছে।
সূত্রটির তথ্য অনুযায়ী, তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা পৃথকভাবে বৈঠক করেছেন হোয়াইট হাউসের প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে। এতে চলমান সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ওই সূত্র আরও জানায়, মধ্যস্থতার প্রক্রিয়া এগোচ্ছে এবং আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। আলোচনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে যুদ্ধের অবসান এবং দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধান। শিগগিরই এ বিষয়ে আরও স্পষ্ট অগ্রগতি পাওয়া যেতে পারে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওসের’ বরাতে রয়টার্স জানায়, তিনটি দেশ এই সংকট নিরসনে মধ্যস্থতা করছে। দেশগুলোর প্রতিনিধিরা হোয়াইট হাউসের দূত স্টিভ উইটকফ ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেছেন। দেশগুলো হলো—তুরস্ক, মিশর ও পাকিস্তান।
মেহের নিউজ অবশ্য বলছে, তেহরান উত্তেজনা প্রশমনে কিছু উদ্যোগ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছে। তবে তারা চায় যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি এই আলোচনায় অংশ নিক। কারণ ইরান মনে করছে ওয়াশিংটনই এই যুদ্ধের সূত্রপাত করেছে।
হোয়াইট হাউস অবশ্য আলোচনার স্থান বা অংশগ্রহণকারীদের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
এদিকে, বদর আবদেলাত্তি রোববার একাধিক কূটনৈতিক বৈঠক করেন। এতে অংশ নেন স্টিভ উইটকফ, আব্বাস আরাঘচি এবং পাকিস্তান, তুরস্ক ও কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।
মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বৈঠকে আবদেলাত্তি জোর দিয়ে বলেন, চলমান সংঘাতের বিস্তৃতি সীমিত রাখা এবং এটি যাতে আরও ছড়িয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।