মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবে পশ্চিমা মিত্ররা। এ বিষয়ে ফ্রান্স তার অংশীদারদের সঙ্গে একটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারোট।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) তিনি বলেছেন, জার্মানি এবং পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে এ বিষয়টি উত্থাপন করা হবে।
গতকাল মঙ্গলবার হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় আপত্তি সত্ত্বেও কৌশলগত দ্বীপটি নিয়ন্ত্রণের উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে 'গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের বিকল্পগুলো' নিয়ে আলোচনা করছেন। এর মধ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সম্ভাব্য হস্তক্ষেপও অন্তর্ভুক্ত।
সম্প্রতি ট্রাম্প্রে নির্দেশে বিশাল সামরিক অভিযান চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে যায় মার্কিন বাহিনী। এরপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় আটকে থাকা বিপুল পরিমাণ তেল যুক্তরাষ্ট্রে হস্তান্তরের ঘোষণা দেন তিনি।
তার দাবি, বাজারদরে বিক্রি হওয়া এই তেলের অর্থ যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার জনগণের স্বার্থে ব্যবহার করা হবে। তবে ঘোষণার পরপরই আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও কূটনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে—এই পরিকল্পনা বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে এবং এর আইনি ভিত্তিই বা কী।